ফিলিপাইন এবং আমেরিকার কয়েক হাজার সেনার অংশগ্রহণে সোমবার থেকে শুরু হয়েছে ১০ দিনের বিশাল সামরিক মহড়া। প্রতিবেশী চীনকে লক্ষ্য করে দু দেশের বার্ষিক এ মহড়া পরিচালিত হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এবারের মহড়ায় আমেরিকার ২,৫০০ এবং ফিলিপাইনের ৩,০০০ সেনা অংশ নিচ্ছে।
কয়েকদিন আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা আঞ্চলিক উত্তেজনার মুখে ফিলিপাইনকে জোরালো সমর্থন জানানোর পর এ মহড়া অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দক্ষিণ চীন সাগরের মালিকানা নিয়ে ফিলিপাইনের সঙ্গে চীনের সামরিক উত্তেজনা চলছে। ওবামা বলেছেন, তার প্রশাসন ফিলিপাইনের সঙ্গে সম্পাদিত ১৯৫১ সালের সামরিক চুক্তির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
মহড়ার উদ্বোধন করে ফিলিপাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলবার্ট ডেল রোজারিও বলেছেন, আগ্রাসী প্রতিবেশীদের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় এ মহড়ার প্রয়োজন ছিল। অবশ্য, তিনি সরাসরি চীনের নাম বলেননি তবে দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে ফিলিপাইনসহ প্রতিবেশি কয়েকটি দেশের সঙ্গে গত কয়েক বছর ধরে চীনের দ্বন্দ্ব চলে আসছে।
এ প্রসঙ্গে ডেল রোজারিও বলেন, ভুখণ্ডগত ও সমুদ্রসীমার দাবি নিয়ে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়ে গেছে। এতে আইনের শাসন বিঘ্নিত হচ্ছে। চলমান মহড়া ফিলিপাইনের সেনাদের এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সক্ষমতা বাড়াবে বলে উল্লেখ করেন ডেল রোজারিও।
গত বছর জাতিসংঘ নালিশ আদালতে ফিলিপাইন দাবি জানিয়ে বলেছে, দক্ষিণ চীন সাগরের শতকরা ৭০ ভাগের যে মালিকানা বেইজিং দাবি করে তা অবৈধ ও নৌ চলাচলের স্বাধীনতা খর্ব করবে বলে ঘোষণা দিতে হবে। চীন এ দাবিকে নাকচ করে দিয়েছে। সূত্র: আইআরআইবি
[b]ঢাকা, ০৫ মে (টাইমনিউজবিডি) //এমএ[/b]
আন্তর্জাতিক
চীনের নাকের ডগায় আমেরিকার সামরিক মহড়া
ফিলিপাইন এবং আমেরিকার কয়েক হাজার সেনার অংশগ্রহণে সোমবার থেকে শুরু হয়েছে ১০ দিনের বিশাল সামরিক মহড়া। প্রতিবেশী চীনকে লক্ষ্য করে দু দেশের বার্ষিক এ মহড়া পরিচালিত হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।





