ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকা থেকে এখন পর্যন্ত ৩৪ হাজার ১৭৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে তুরস্কের ২৯ হাজার ৬০৫ এবং সিরিয়ায় ৪ হাজার ৫৭৫ জন। তবে, জাতিসংঘ বলছে, নিহতের সংখ্যা ৫০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে সিএনএন।
এদিকে ভয়াবহ এই ভূমিকম্পে তুরস্কের ২৪ হাজার ৯২১টি ভবন ধসে পড়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও বহু আটকা পড়ে আছেন। তাদের বেঁচে থাকাটা ক্ষীণ। তারপরও উদ্ধারকারীরা জীবিতদের উদ্ধারে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ভূমিকম্পের সাতদিন পরও অলৌকিকভাবে বেঁচে থাকাদের সন্ধান পাচ্ছেন তারা।
জাতিসংঘ বলছে, ভূমিকম্পের পরে সিরিয়ায় ৫৩ লাখ মানুষ গৃহহীন হতে পারে। তুরস্ক ও সিরিয়ায় প্রায় ৯ লাখ মানুষের জন্য জরুরি খাবারের প্রয়োজন।
এর আগে, গত ৬ ফেব্রুয়ারি ভোরের দিকে সিরিয়া এবং তুরস্কে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। এর কিছুক্ষণ পর ফের ৬ দশমিক ৭ মাত্রার আরও একটি ভূমিকম্প।
উল্লেখ্য, ১৯৩৯ সালে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্পে তুরস্কের পূর্ব এরজিনকান প্রদেশে ৩৩ হাজার মানুষ নিহত হয়েছিল।
এনএইচ





