পাকিস্তানের ইসলামাবাদ থেকে আল জাজিরার প্রতিনিধি কিমবার্লি হ্যালকেট জানিয়েছেন, শান্তি প্রক্রিয়া বিলম্বিত হওয়ার পেছনে মূলত যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এক ধরনের স্থবিরতা কাজ করছে। বর্তমানে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান তেহরানে অবস্থান করছেন। তিনি সেখানে কেবল যুক্তরাষ্ট্রের বার্তাই পৌঁছে দিচ্ছেন না, বরং ইসলামাবাদে পরবর্তী দফার আলোচনার ভিত্তিও তৈরি করছেন।
যদিও হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি নিশ্চিত করেননি যে পরবর্তী আলোচনা ইসলামাবাদেই হবে, তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, এই মুহূর্তে অন্য কোনো ভেন্যুর কথা বিবেচনা করা হচ্ছে না।
গত রোববার প্রথম দফার আলোচনা শেষ হওয়ার পর থেকে পাকিস্তান উভয় পক্ষের মধ্যে বার্তার আদান-প্রদান এবং প্রধান কূটনৈতিক সংযোগকারী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র জানান, সব পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোচ্ছে; এখন শুধু উভয় পক্ষকে পুনরায় ইসলামাবাদে ফিরিয়ে আনার অপেক্ষা।
তবে আলোচনার পথে এখনো বড় ধরনের বাধা ও মতপার্থক্য রয়ে গেছে। বিশেষ করে ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া বা না যাওয়ার বিষয়টি অন্যতম প্রধান অমীমাংসিত ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে। এত বাধা সত্ত্বেও উভয় পক্ষকে পুনরায় আলোচনার টেবিলে আনার একটি সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আগামী সপ্তাহে শেষ হয়ে যাচ্ছে বলে এখন দ্রুত একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর চাপ বাড়ছে।
সূত্র : আল-জাজিরা
এমএম