আলোচনার পর সিরিয়ান সরকার এবং বিদ্রোহীরা ঐক্যমতে পৌঁছেছে। আসাদ সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অবরুদ্ধ হোমস শহর থেকে নিরাপদে বের হতে পারবেন নারী এবং শিশুরা।
তবে যে সব পুরুষ হোমস শহর ত্যাগ করতে ইচ্ছুক, তাদের নামের তালিকা চেয়েছে সরকার।
সরকারের পক্ষ থেকে নামের তালিকা চাওয়ার বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে বিদ্রোহী পক্ষের কয়েকজন। এদের একজন ওবেয়দা নাহাস বিবিসিকে বলেন "আমরা মনে করি, তালিকাগুলো সরকার ব্যবহার করবে মানুষদের আটক করতে এবং সম্ভবত তাদের নির্যাতন করা হবে।
আজ সোমবার জাতিসংঘ এবং আরব লীগের সিরিয়া বিষয়ক বিশেষ দূত লাখদার ব্রাহিমি জানান, বিদ্রোহীরা অবরুদ্ধ নাগরিকদের তালিকা সরকারের কাছে সরবরাহ করবে। সিরিয়ার ডেপুটি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল মেকদাদ জানান, নারী এবং শিশুরা হোমস শহর থেকে নিরাপদে বের হয়ে আসতে পারবেন।
ব্রাহিমি বলেন, “খুব ধীরে অগ্রগতি হলেও দুই পক্ষ ঐক্যমতের দিকে এগোচ্ছে।”
সিরিয়ায় দুই পক্ষের মধ্যে এই এক্যমতকে গত সপ্তাহে শুরু হওয়া সিরিয়া বিষয়ক দ্বিতীয় জেনেভা সম্মেলনের অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
ব্রাহিমি আরো জানান, রেডক্রস এবং জাতিসংঘের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো হোমস শহরে ত্রাণ এবং মানবিক সহায়তা দিতে পারবে।
২০১১ সালে শুরু হওয়া সিরিয়া সংঘাতে এখন পর্যন্ত প্রায় এক লাখ মানুষ নিহত হন। সংকট নিরসনে ২০১৩ সালে জেনেভায় প্রথমবারের মতো আলোচনায় বসে দুই পক্ষ। তবে ওই আলোচনায় কোনো ফল পাওয়া যায়নি।
গত কয়েক মাস ধরে অবরুদ্ধ অবস্থায় আছে সিরিয়ার অন্যতম শহর হোমস। সেখানে খাবার, পানি এবং ওষুধ সরবরাহ বন্ধ থাকায় মানবেতর জীবন যাপন করছেন শহটির বাসিন্দারা।

ঢাকা, জানুয়ারি ২৭ (টাইমনিউজবিডি. কম)// টিআই

[size=3] [/size]