ভারতের উড়িষ্যা আর পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মধ্যে রসগোল্লার আবিষ্কারক কে, তা নিয়ে আইনি লড়াই শুরু হয়েছে।

উড়িষ্যার দাবি, শত শত বছর ধরে পুরির জগন্নাথ মন্দিরে দেবতার ভোগে রসগোল্লা ভোগ দেয়া হচ্ছে। তবে কলকাতার দাবি, রসগোল্লা সেখানেই তৈরি হয়েছে।

উড়িষ্যা দাবি করছে, রসগোল্লা তারাই আবিষ্কার করেছে। শত শত বছর ধরে এই মন্দিরের দেবতাদের ভোগে রসগোল্লা দেয়া হচ্ছে।

মন্দিরের মুখপাত্র, সুধীর চ্যাটার্জি সে কথাই বলছেন। চ্যাটার্জি বলছেন, প্রতিবছরের অন্তত একবার দেবতার উদ্দেশ্যে এই রসগোল্লা দেয়া হয়।

কলকাতার দাবি, রসগোল্লার আসল আবিষ্কারক তারাই। কলকাতার কে সি দাস পরিবারের দাবি, এটির আসল আবিষ্কারক আসলে তারাই। আর এখানে বহু বছর ধরে রসগোল্লা বিক্রি করা হচ্ছে, মানুষ এটি খেয়ে আসছে।

উত্তর কলকাতার বা দিমেন দাস জানিয়েছেন, অনেক দিন আগে, নবীন চন্দ্র দাস নামের আমার একজন পূর্বপুরুষ রসগোল্লা আবিষ্কার করেন।

মানুষজন তার কাছে এমন মিষ্টি খেতে চাইত, যা তাদের তৃষ্ণাও মেটাবে। তিনবছর চেষ্টা করে তিনি রসগোল্লা তৈরির পদ্ধতি আবিষ্কার করেন।

তবে অর্থনীতি আর ব্যবসা বিশ্লেষক মুগ্ধ পাতারিয়া বলেন ,ভারত আসলে একটি মাত্র বাজার নয়, এখানে অনেক বাজার তৈরি হয়েছে।

এটা এমন নয় যে, ভারতই শুধু বিশ্বের অন্য দেশের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করছে। ভারতের ভেতরেও প্রতিযোগিতা চলছে।

তবে একটি বিষয় নিশ্চিত, ভারতে বাড়তে থাকা প্রতিযোগিতার কারণে, দেশটির রাজ্যগুলোকে হয়তো আরো অনেক বিষয়েই পরস্পরের মুখোমুখি হতে হবে।

খবর বিবিসির।

এসএম