মাসুমেহ্ আতিইয়ে শুধুমাত্র এসিড হামলার শিকার হওয়া নারীর পরিচয়েই পরিচিত হতে চান না। তিনি একজন শিল্পী হিসেবে পরিচিতি পেতে চান। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

স্বামীর সঙ্গে বিয়ে বিচ্ছেদ চাওয়ায় শ্বশুর তার মুখে এসিড ছুঁড়ে মেরে তাকে অন্ধ করে দেয়। ৩৫ বছর বয়সী এই সাহসী নারী তার ওপর এই বর্বরোচিত হামলার বিচার পাননি। আট বছর আগে এই ঘটনা ঘটে। এসিড তার চেহারাকে ঝলসে বিকৃত করে দিয়েছে।

ইরানের শরীয়া আইন অনুযায়ী আতিইয়ের দুই চোখের বিনিময়ে তার ওপর হামলাকারী শ্বশুরের একটি চোখ উৎপাটনের বিধান রয়েছে। এদিকে তার পরিবারকে হুমকি দেয়া হয় যে তারা যদি অভিযোগ দায়ের করে তবে তার ছেলেকেও একই শাস্তি দেয়া হবে।

তিনি বলেন, ‘আমি বিচার পাওয়ার চেয়ে আমার ছেলের জীবনকেই বেছে নিয়েছি।’ চলতি সপ্তাহে এসিড সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধি ও এসিড হামলায় আক্রান্তদের সহায়তায় অর্থ সংগ্রহের জন্য তেহরানের আশিয়ানেহ্ গ্যালারিতে তিনি অন্যান্য এসিড হামলায় আক্রান্তদের সঙ্গে একটি মৃৎশিল্প প্রদর্শনি করেছেন।

মাসুমেহ্ আরো বলেন, ‘আমি এডিস হামলা শিকার পরিচয়ে পরিচিত হতে চাই না। আমি একজন শিল্পী হিসেবে পরিচিত হতে চাই।’ তিনি পাত্র তৈরি করে তা চিত্রিত করেন। তিনি তেহরানে তার ১২ বছর বয়সী ছেলেকে নিয়ে থাকেন। তিনি ইসফাহানে তার শ্বশুর বাড়ি থেকে পালিয়ে এসেছেন।

তিনি অন্যান্য অন্ধ মানুষকে শিল্প কর্ম শেখান। তিনি গর্বের সঙ্গে বলেন, ‘আমি সম্পূর্ণ স্বাধীন।’ উল্লেখ্য, ইরানে প্রায়ই এসিড হামলা হয়। বাসস।

জেড