সিরিয়া থেকে গত দশ দিনে অন্তত ১০ হাজার মানুষ জীবন বাঁচাতে তুরস্কে আশ্রয় নিয়েছেন বলে জানা গেছে। তুরস্কের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে সম্প্রতি ভয়াবহ সংঘর্ষ দেখা দেওয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। জেনেভায় সরকার ও বিরোধী পক্ষের মধ্যে শান্তি আলোচনা চলার মধ্যেই এ সংঘর্ষ হচ্ছে।
তুরস্কের কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে মঙ্গলবার এ খবর জানিয়েছে ওয়ার্ল্ডবুলেটিন। জানা গেছে, তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চলীয় সিরিয়া সীমান্তঘেঁষা হাতে প্রদেশে তারা আশ্রয় নেন। আর আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য তুরস্ক খুলে দিয়েছে সিলভেগুঝু প্রবেশপথ।
সংঘর্ষে যারা আহত হয়ে সীমান্ত পাড়ি দিয়েছেন তাদেরকে তুরস্কের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সীমান্ত পাড়ি দিয়ে তুরস্কে পৌঁছার সাথে সাথেই অ্যাম্বুলেন্সে করে তাদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বয়স্কদেরকে হুইলচেয়ারে করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেন তাদেরই আত্মীয়-স্বজনেরা।
তুরস্কে এ পর্যন্ত ৭ লাখ ১৪ হাজার সিরীয় শরণার্থী আশ্রয় নিয়েছেন বলে জানিয়েছে তুরস্কের ডিজেস্টার এন্ড ইমারজেন্সি ম্যানেজমেন্ট প্রেসিডেন্সি (এএফএডি)। দফতরটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আওতাধীন। তুরস্কে যারা আশ্রয় নিয়েছেন তাদের ৭০ শতাংশই নারী ও শিশু।
প্রসঙ্গত, আগামী মার্চে সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ তিন বছরে পা দিচ্ছে। গৃহযুদ্ধে এ পর্যন্ত এক লক্ষ ৩০ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন, দেশ ছেড়ে শরণার্থী হয়েছেন কমপক্ষে ৬৫ লক্ষ মানুষ। এদের মধ্যে মাত্র ২০ লাখের কিছু বেশি শরণার্থী নিবন্ধিত হয়েছেন। নিবন্ধিত এসব শরণার্থী প্রতিবেশী তুরস্ক, লেবানন ও ইরাকে আশ্রয় নিয়েছেন। সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস এসব তথ্য দিয়েছে। সূত্র: ওয়ার্ল্ডবুলেটিন
[b]ঢাকা, ১২ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম)//এমএ [/b]
আন্তর্জাতিক
সিরিয়া থেকে ১০ দিনে পালিয়েছেন ১০ হাজার মানুষ
সিরিয়া থেকে গত দশ দিনে অন্তত ১০ হাজার মানুষ জীবন বাঁচাতে তুরস্কে আশ্রয় নিয়েছেন বলে জানা গেছে। তুরস্কের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে সম্প্রতি ভয়াবহ সংঘর্ষ দেখা দেওয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। জেনেভায় সরকার ও বিরোধী পক্ষের মধ্যে শান্তি আলোচনা চলার মধ্যেই এ সংঘর্ষ হচ্ছে।





