চীনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল জিনজিয়াংয়ে গত রোববার সহিংসতায় ৫০ জন নিহত হয়েছে। পুলিশ এ ঘটনাকে ‘গুরুতর সন্ত্রাসী হামলা’ বলে উল্লেখ করে।

চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানানো হয়েছে। চলতি সপ্তাহের শুরুতে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে জিনজিয়াংয়ের লুনতাই অঞ্চলে হামলার কথা উল্লেখ করা হয়েছিল। তবে সে সময় বলা হয়েছিল, সহিংসতায় দুই জন নিহত হয়েছেন।

রাষ্ট্রীয় এক নিউজ পোর্টালে অবশ্য বৃহস্পতিবার বলা হয়েছে, ৪০ ‘দাঙ্গাকারী’, ৬ বেসামরিক নাগরিক ও ৪ পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হয়েছে। তবে দেরিতে এ তথ্য প্রকাশের কারণ উল্লেখ করা হয়নি।

জিনজিয়াংয়ে গত কয়েক মাসে সহিংসতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এ অঞ্চলে মুসলিম সংখ্যালঘু উইঘুর সম্প্রদায়ের বাস। উইঘুর ও হান সম্প্রদায়ের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

আঞ্চলিক সরকারের নিউজ পোর্টাল তিয়ানশানের খবরে বলা হয়েছে, রোববার স্থানীয় সময় বিকেল ৫ টায় দুটি পুলিশ স্টেশন, একটি বাজার ও একটি দোকানের প্রবেশদ্বারে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।

খবরে বলা হয়, দাঙ্গাকারীরা আত্মঘাতী হামলায় বা পুলিশের গুলিতে নিহত হয়। ৫৪ জন বেসামরিক নগারিক আহত হয়েছে এবং দুই ‘দাঙ্গাকারীকে’ আটক করা হয়েছে।

তিয়ানশানের খবরে ঘটনার প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে মামত তুরসানের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, ২০০৩ সাল থেকে তিনি চরমপন্থী কার্যকলাপ পরিচালনা করছেন।

তবে জিনজিয়াংয়ের আসল ঘটনা সম্পর্কে জানা খুবই কঠিন। কারণ ওই এলাকায় প্রবেশাধিকার ব্যাপকভাবে নিয়ন্ত্রিত এবং তথ্যের প্রবাহ সীমিত।

বিদেশী 'সন্ত্রাসী' গোষ্ঠীর অনুপ্রেরণায় ও মদদে উইঘুর 'চরমপন্থীরা' এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে চীন অভিযোগ করেছে। উইঘুর কর্মীরা বলেছে, চীনের নিপীড়নমূলক আইনের কারণে স্থানীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে ক্ষোভ ও সহিংসতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ঢাকা, ২৬ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, এসএমএ