বাগদাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যেদিন আল-কুদস ফোর্সের প্রধান মেজর জেনারেল কাসেম সোলাইমানি যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন হামলার শিকার হয়ে নিহত হয়েছেন, একইদিনে ইয়েমেনে আরেক ইরানি সামরিক কর্মকর্তাকে হত্যা করতে ব্যাপক গোপনীয় অভিযান চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী।
দেশটির কর্মকর্তাদের বরাতে ওয়াশিংটন পোস্ট ও নিউইয়র্ক টাইমস এমন খবর দিয়েছে।
শুক্রবার মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম সিএনএন এ তথ্য জানায়। তবে মিশন পরিচালনা সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
এদিকে ওয়াশিংটন পোস্টের বরাত দিয়ে সিএনএন আরও জানায়, মার্কিনিদের সেই টার্গেটে ছিলেন এলিট কুদস ফোর্সের শীর্ষ কমান্ডার আবদুল রেজা শাহলাই।
৩ জানুয়ারি ভোরে যুক্তরাষ্ট্রের গুপ্তহত্যার শিকার হয়েছেন ইরানের শীর্ষ জেনারেল কাসেম সোলাইমানি। সোলাইমানিকে হত্যার পর মুহূর্তের ভিডিও শনিবার প্রকাশ করে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান ও রাশিয়ার সংবাদমাধ্যম রাশিয়া টুডে।
হোয়াইট হাউস জানায়, ৩ জানুয়ারি ইরাকের বাগদাদ বিমানবন্দরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে রকেট হামলা চালিয়ে ইরানের আল-কুদস ফোর্সের প্রধান ও বিপ্লবী গার্ডস বাহিনীর কমান্ডার মেজর জেনারেল কাসেম সোলাইমানি ও ইরানের মিলিশিয়া নেতা আবু মাহদি আল মুহানদিসকে হত্যা করা হয়।
এর এক সপ্তাহ আগে বাগদাদে মার্কিন দূতাবাস চত্বরে হাজার হাজার ইরাকির হামলা চালানোর পর এ বিষয়ে ইরানকে দায়ী করে ওয়াশিংটন। এই নিয়ে দুই দেশের মধ্যে তীব্র উত্তেজনার মধ্যে এই হামলা চালানো হয়।
এএস





