দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী নতুন ‘করোনাভাইরাসে’ চীনে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৩৭ জনে। এছাড়া এই ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছে ৩১ হাজার ২১১ জন।
চীনের বাইরে ২২০ জন আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ পর্যন্ত চীনের বাইরে ফিলিপাইনে একজনের মৃত্যু হয়েছে।
‘করোনভাইরাস’ নিয়ে যখন বিশ্বব্যাপী প্রচণ্ড আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে তখন এই ভাইরাসে সংক্রমিত হওয়া রোগীদের অনেকে সুস্থ হয়েও উঠছেন।
শুক্রবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন জানিয়েছে, এ পর্যন্ত ১ হাজার ৫৪০ ব্যক্তি সুস্থ হয়ে উঠেছেন।
‘করোনভাইরাস’ নিয়ে চীন সরকার এরইমধ্যে ৩১টি প্রদেশে এক নম্বর জরুরি সতর্কতা জারি করেছে।
এদিকে, যৌক্তিক ও বিজ্ঞানভিত্তিক আচরণের জন্য ব্রিটিশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন চীনের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিন গ্যাং।
ব্রিটিশ নাগরিকদের চীন থেকে দেশে ফেরার জন্য বোরিস জনসনের সরকার নির্দেশনা দেয়ার পর এই আহ্বান জানালেন চীনা উপ পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
তিনি বলেন, বেইজিং আশা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা মেনে চলবে ব্রিটিশ সরকার এবং জনগণকে চীন সফর থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করবে না। পাশাপাশি এই বিষয়ে অতি মাত্রায় প্রতিক্রিয়াও দেখাবে না লন্ডন।
আমেরিকার জন হপকিন্সের ক্রিটিক্যাল ইভেন্ট প্রিপিয়ার্ডনেস অ্যান্ড রেসপন্স বিভাগের পরিচালক ও বিশেষজ্ঞ লরেন সাওয়ার বলেছেন, ‘করোনাভাইরাস’ নিয়ে ভীতি ছড়ানোর মধ্যে কোনো কল্যাণ নেই বরং সঠিক পদক্ষেপ হবে ভয়কে জয় করেই এগিয়ে যাওয়া।
পশ্চিমা দেশগুলোতে এরইমধ্যে চীন ও এশিয়ার জনগণের সঙ্গে এক রকমের বর্ণবাদী আচরণ করা হচ্ছে। সবাইকে বাহুল্যভাবে সন্দেহের চোখে দেখা হচ্ছে।
এমবি





