কানাডার নাগরিকত্ব পেলেন পাকিস্তানের নারী শিক্ষা আন্দোলনের অগ্রদূত ও মানবাধিকার কর্মী মালালা ইউসুফজাই। কানাডিয়ান প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর হাত থেকে বুধবার সম্মানসূচক নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন ২০১৪ সালের শান্তিতে নোবেলজয়ী মালালা ইউসুফজাই। দেশটির প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো ফ্রেমে বাধানো সম্মানসূচক নাগরিকত্বের সনদটি মালালার হাতে তুলে দেন। কানাডার পার্লামেন্টে সর্বকনিষ্ঠ হিসেবে বক্তব্য রাখেন মালালা। মালালা ইউসুফজাই ষষ্ঠ এবং সর্বকনিষ্ঠ ব্যক্তি হিসেবে কানাডিয়ান এই সম্মানসূচক নাগরিকত্ব পেলেন।
২০১৪ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার পর কানাডার পক্ষ থেকে মালালার কর্মকান্ডের সম্মাননার জন্য এই নাগরিকত্ব দেওয়া হলো। গত সপ্তাহ তাকে নাগরিকত্ব দেওয়ার বিষয়টি ঘোষণা করা হয়। সেই নাগরিকত্ব বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে দেওয়া হলো। শিক্ষার মাধ্যমে কীভাবে নারীর ক্ষমতায়ন ঘটানো যায় এবং তারা কীভাবে দেশ ও সমাজের টেকসই উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে, সে ব্যাপারে মালালার সঙ্গে ট্রুডোর আলাদাভাবে বৈঠক করেন।
মাত্র ১৯ বছর বয়সী পাকিস্তানের অধিকার কর্মী মালালা ১৫ বছর বয়সে স্কুল থেকে ফেরার সময় তালেবানদের গুলি তার মাথায় আঘাত হানে। পরে তিনি নারী শিক্ষা নিয়ে কাজ করেন। তিনি নারী শিক্ষার প্রচারের জন্য সারা বিশ্বে প্রশংসিত হয় এবং ২০১৪ সালে সর্বকনিষ্ঠ শান্তিতে নোবেল বিজয়ী হন। গত সপ্তাহে তিনি জাতিসংঘের সর্বোচ্চ সম্মাননা শান্তিদূত হিসেবে নিয়োগ পান। জাতিসংঘের মহাসচিবের দ্বারা বেসামরিক নাগরিকদের জন্য এটি বিশ্বের সবচেয়ে সম্মানিত পদ। বিশ্বের সর্বকনিষ্ট হিসেবে এই সম্মাননা পেয়েছেন পাকিস্তানি কিশোরী মালালা ইউসুফজাই। বিবিসি
জেড





