ফিজিতে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় উইনস্টনে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৯ জনে দাঁড়িয়েছে। দেশটিতে এখন ঝড় পরবর্তী উদ্ধার তৎপরতা চালানো হচ্ছে। প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপ রাষ্ট্রটির ইতিহাসে সবচেয়ে শক্তিশালী এই ঘূর্ণিঝড়ে বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় প্রায় ৩২৫ কিলোমিটার।

বাংলাদেশ সময় রোববার দিনগত রাতে দেশটির স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ফিজি ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশন এক খবরে জানায়,

দিক পরিবর্তন ও দূর্বল হয়ে পড়া মৌসুমী এই ঘূর্ণিঝড় ফিজি থেকে সরে গেলেও তিনশ দ্বীপের দেশটির সব জায়গায় রেখে গেছে ধ্বংসের চিহ্ন।

দু’দিন বন্ধ থাকার পর সোমবার দেশটির আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তবে ফিজির পল্লী ও উপকূল উন্নয়ন মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতর জানিয়েছে, সেখানকার স্কুলগুলো আরও অন্তত এক সপ্তাহ বন্ধ থাকবে।

যৌথ টাইফুন ওয়ার্নিং সেন্টারের বরাত দিয়ে বিবিসি অনলাইনে জানানো হয়েছে, দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশ ফিজিতে ‘উইনস্টন’র আঘাতের সময় ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২৯৬ কিলোমিটার (১৮৪ মাইল) বেগে বাতাস বয়ে যায়।

ঘূর্ণিঝড়টি আছড়ে পড়ার আগেই ফিজির প্রধানমন্ত্রী ফ্রাঙ্ক বাইনিমারামা তার দেশে ৩০ দিনের জরুরি অবস্থা জারি করেন। সেই সঙ্গে দেশব্যাপী কার্ফ্যুও জারি করা হয়। সূত্র: বিবিসি।

এসএম/ওএফ