খবরে বলা হচ্ছে, রোববার (৩১ জুলাই) আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ পরিচালিত ড্রোন হামলায় নিহত হন তিনি। এই খবর এখন পর্যন্ত নিরপেক্ষভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।

তবে হোয়াইট হাউস কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে, এই ড্রোন অভিযানের বিস্তারিত আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই জানাবেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

আমেরিকান টেলিভিশন চ্যানেল সিবিএস নিউজ জানিয়েছে, তিনটি সূত্র আল-কায়েদা নেতার হত্যার খবর নিশ্চিত করেছে।

নিউ ইয়র্ক টাইমস, ওয়াশিংটন পোস্ট এবং সিএনএন অজ্ঞাত পরিচয় সূত্রের বরাত দিয়ে নিহত ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করেছে।

একজন উচ্চপদস্থ মার্কিন কর্মকর্তা এর আগে নিশ্চিত করেন যে, আফগানিস্তানে 'গুরুত্বপূর্ণ' একটি আল-কায়েদা লক্ষ্যবস্তুর বিরুদ্ধে 'সফল' অভিযান চালানো হয়েছে।

কর্মকর্তা বলেন, অভিযান সপ্তাহান্তে চালানো হয়েছিল এবং কোনো বেসামরিক লোক তাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি।

একই সময়ে, তালেবানের একজন মুখপাত্র বলেন যে রোববার কাবুলের একটি আবাসিক এলাকায় আমেরিকান ড্রোন হামলা হয়েছে।

এই আক্রমণকে আন্তর্জাতিক নীতির পরিষ্কার লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেন তিনি।

আল-কায়েদার প্রতিষ্ঠাতা ওসামা বিন লাদেন এবং আল-জাওয়াহিরি এক সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওপর যুদ্ধ ঘোষণা করেন, এবং ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের আক্রমণের আয়োজন করেন।বলে অভিহিত করেন।

মিসরের ইসলামি জিহাদ নামক জঙ্গি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন আল-জাওয়াহিরি। ওসামা বিন লাদেন ২০১১ সালের মে মাসে মার্কিন বাহিনীর হাতে নিহত হবার পর আল-জাওয়াহিরি আল-কায়েদার নেতৃত্ব গ্রহণ করেন।

এর আগে আল-জাওয়াহিরিকে ওসামা বিন লাদেনের ডান হাত আর আল-কায়েদার মূল চিন্তাবিদ বলে গণ্য করা হত।

অনেকে মনে করেন আয়মান আল-জাওয়াহিরিই ছিলেন ১১ সেপ্টেম্বর হামলার মূল রূপকার। সূত্র : বিবিসি।

এইচএন