[b]দামেস্ক:[/b] যুদ্ধের মধ্যে আটকে পড়া দামেস্কের ইয়ারমুক শরণার্থী শিবিরের ফিলিস্তিনিরা ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন। এমনকি খাদ্যের অভাবে শরণার্থীদের অনেকেই কুকুর ও বিড়াল খাচ্ছেন বলে জানা গেছে।
ডেইলি ইসলাম টাইমস নামক একটি অনলাইন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, এখানে অনেকেই বেশ কিছু বিড়াল ও কুকুর জবাই করে খেতে বাধ্য হয়েছেন ফিলিস্তিনি শরণার্থীরা।
[img]http://www.timenewsbd.com/contents/public/201401/1391082551.jpg[/img]
সেখানকার একজন অধিবাসী বলেছেন, কয়েক মাস আগেও যা ভাবাই যেত না তা এখন এখানে খুবই স্বাভাবিক।
তিনি বলেন, "আমি নিজেও রাস্তায় একটি বিড়াল খুঁজছি যাতে তা জবাই করে খাওয়া যায়।"
সিরিয়ায় বসবাস করছেন প্রায় ৫ লাখ ফিলিস্তিনি শরণার্থী এবং তাদের বেশিরভাগই বাস করেন দক্ষিণ দামেস্কের ইয়ারমুকে।
২০১১ সালে সিরিয়ায় যুদ্ধ শুরু হলে ইয়ারমুক শরণার্থী শিবির সহিংসতার অন্যতম প্রধান কেন্দ্রে পরিণত হয়।
২০১২ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত এই শিবিরে এক লাখ ৬০ হাজারেরও বেশি শরণার্থী বসবাস করতেন।
কিন্তু আসাদ বাহিনীর সঙ্গে বিদ্রোহীদের লড়াইয়ের মুখে পড়ে জীবন বিপন্ন হয়ে পড়ে অসহায় ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের। হামলা ও সংঘর্ষের মুখে অনেক শরণার্থীই এই শিবির ছেড়ে চলে যান।
আসাদ প্রশাসন দাবি করছে, এই শিবিরেই অবস্থান নিয়েছে আল কায়েদা সংশ্লিষ্ট বেশ কয়েকটি সশস্ত্র গোষ্ঠী। তারা এই শিবিরকে একটি সামরিক দুর্গে পরিণত করেছে।
ফিলিস্তিন স্বশাসন কর্তৃপক্ষ অবশ্য ১৪ জানুয়ারি জানিয়েছিল, সিরিয়ার সরকার ইয়ারমুকে খাদ্য ও ত্রাণ-সাহায্য পাঠালেও বিদ্রোহীরা সেইসব সাহায্যের চালান আটকে দিচ্ছে।
গত কয়েক মাসে ইয়ারমুকে অনেক শরণার্থী খাদ্য ও ওষুধের অভাবে মারা গেছে। সূত্র: আইআরআইবি ও ওয়ার্ল্ড বুলেটিন
ঢাকা, ৩০ জানুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম)//এসএমএ
আন্তর্জাতিক
ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের শিকার দামেস্কের ফিলিস্তিনি শরণার্থীরা
দামেস্ক: যুদ্ধের মধ্যে আটকে পড়া দামেস্কের ইয়ারমুক শরণার্থী শিবিরের ফিলিস্তিনিরা ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন। এমনকি খাদ্যের অভাবে শরণার্থীদের অনেকেই কুকুর ও বিড়াল খাচ্ছেন বলে জানা গেছে।





