যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় ভয়াবহ দাবানলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩ জনে।
দেশটির তরফ থেকে গতকাল (১০ নভেম্বর) শনিবার এই তথ্য জানানো হয়। খবর রয়টার্সের।
অন্যদিকে বিবিসির খবরে বলা হয় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৫ জন।
বুট্টে কাউন্টি শেরিফ এবং মৃতদেহ পরীক্ষক করি হোনিয়া বলেছেন, শনিবার (১০ নভেম্বর) আরও ১৪ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। খবর সিএনএনের।
হোনিয়া বলেন, আগুনে বিধ্বস্ত প্যারাডাইস শহর থেকে ১০ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি বলেন, ৭ জনের মৃতদেহ ঘরের ভেতর এবং ৩ জনের মরদেহ বাইরে পাওয়া গেছে। আর বাকি ৪ জনের মধ্যে দুজনের মৃতদেহ গাড়ি এবং অন্যান্য এলাকার বাড়ির ভেতর থেকে ২ জনের মরদেহ পাওয়া গেছে।

গতকাল (শনিবার) শক্তিশালী বাতাস কমে গেলে ক্যালিফোর্নিয়ার ইতিহাসের ৩টি ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের একটি কিছুটা শান্ত হয়। এই আগুনে রেকর্ড সংখ্যক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ৩ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
কিন্তু কর্মকর্তারা বলছেন, রোববার (১১ নভেম্বর) থেকে আবারও শক্তিশালী বাতাস বইতে শুরু করবে এবং তাই কাউকে ঘরবাড়িতে না ফেরার নির্দেশ কার্যকর থাকবে।
ক্যালিফোর্নিয়ার বন ও আগুন নির্বাপক বিভাগের মুখপাত্র স্কট ম্যাক্লিন বলেন, শহরটি ধ্বংস হয়ে গেছে, সবকিছু শেষ কিছুই আর বাকি নেই তেমন।
ইতিমধ্যে দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যে ভয়াবহ দাবানলের ঘটনায় বনবিভাগের দুর্বল ব্যবস্থাপনাকে দায়ী করেছেন।
এই ঘটনার পর গতকাল (শনিবার) ট্রাম্প টুইটারে লিখেছেন, বন বিভাগের দুর্বলতা ব্যতীত বনে এমন মারাত্মক দাহের কোনো কারণ নেই। বন ব্যবস্থাপনার জন্য প্রতি বছর বিলিয়ন ডলার ব্যয় করা হচ্ছে। অথচ এখানে জনজীবনে এমন ক্ষতি হলো। এর প্রতিকার হচ্ছে অর্থ বরাদ্দ বন্ধ করে দেয়া।
এমবি





