বিশ্বের অনেক দেশে আজ(শুক্রবার) পালিত হচ্ছে বিশ্ব কুদস দিবস। এ উপলক্ষে আয়োজিত মিছিল ও সমাবেশে যোগ দিয়েছেন লাখ লাখ মানুষ।
মজলুম ফিলিস্তিনি জাতির প্রতি সমর্থন, মুসলমানদের প্রথম কিবলা আল-আকসাকে মুক্ত করতে জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং দখলদার ও বর্ণবাদী ইসরাইলের বিদ্বেষী তৎপরতার প্রতি মানুষকে সচেতন করে তুলতে প্রতি বছর রমজানের শেষ শুক্রবার ‘ বিশ্ব কুদস দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়।
ইরানের ইসলামী বিপ্লবের রূপকার এবং ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রতিষ্ঠাতা ইমাম খোমেনী (র) আহ্বানে ১৯৭৯ সাল থেকে ‘বিশ্ব কুদস দিবস’ পালন করা হচ্ছে।
ইরানের রাজধানী তেহরান গ্রীষ্মের প্রচণ্ড দাবদাহকে উপেক্ষা করে কুদস দিবসের শোভাযাত্রায় যোগ দিয়েছেন লাখো লাখো মানুষ। ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানিসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা তেহরানের কুদস দিবসের শোভাযাত্রায় অংশ গ্রহণ করেন।
শোভাযাত্রার অবকাশে আলাপ করার সময়ে প্রেসিডেন্ট রুহানি বলেন, দখলদারের প্রতি ঘৃণা প্রকাশ এবং নির্যাতিত ফিলিস্তিন জাতির প্রতি সমর্থন জানানোই হলো ‘বিশ্ব কুদস দিবসের’ বার্তা।
মধ্যপ্রাচ্যে ইহুদিবাদী ইসরাইলের মদদপুষ্ট সন্ত্রাসীদের উপস্থিতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ পরিপ্রেক্ষিতে চলতি বছরের কুদস দিবস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তেল আবিবের মদদপুষ্ট সন্ত্রাসীদের মধ্যপ্রাচ্য থেকে নির্মূল করতে জনগণ দৃঢ় অঙ্গীকারবদ্ধ বলেও জানান তিনি।
এদিকে, তেহরানের কুদস দিবসের শোভাযাত্রায় জুলফিকারসহ তিনটি ভূমি থেকে ভূমি নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র প্রদর্শন করা হয়েছে। সিরিয়ায় দায়েশ অবস্থান ধ্বংস করতে এ জুলফিকার শ্রেণির ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছিল।
জেড





