কয়েকশ আমেরিকার নাগরিক ইসলামিক স্টেট অব ইরাক এ্যান্ড দ্য লিভান্ট-আইএসআইএলের সাথে জড়িত বলে জানিয়েছেন এক মার্কিন কংগ্রেসম্যান। মাইক রোজারস নামের ওই কংগ্রেস সদস্য যুক্তরাষ্ট্রের একটি শক্তিশালী নীতি নির্ধারণী সংস্থা 'হাউস ইন্টেলিজেন্স কমিটি'র চেয়ারম্যান।
আমেরিকার রিপাবলিকান দল থেকে নির্বাচিত ওই আইনপ্রণেতা স্থানীয় সময় রোববার 'ফক্স নিউজকে' দেয়া এক সাক্ষাতকারে এ মন্তব্য করেন।
কংগ্রেসম্যান মাইক রোজারস, যিনি মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআইয়ের একজন সাবেক সদস্য, আইএসআইএলের সাথে এভাবে মার্কিন নাগরিকদের জড়িত হওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, "শত শত মার্কিন নাগরিক যারা অন্তত একবারের জন্য হলেও আইএসআইএলের সাথে ভ্রমন করেছেন এবং তাদের সাথে মিলে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন।"
পরবর্তীতে তাদের কেউ কেউ আমেরিকায় ফিরে এসেছেন এবং কেউ ইউরোপে চলে গেছেন বলেও জানান মাইক রোজারস।
আমেরিকার স্টেট ডিপার্টমেন্ট অবশ্য এর আগেই এক জরিপে জানিয়েছিল একশ'র বেশি মার্কিন নাগরিক সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আইএসআইএলের সাথে যোগ দিতে সিরিয়া গমণ করেছেন।
মার্কিন কংগ্রেসম্যান রোজারস বলেন, "আমি খুবই উদ্বিগ্ন কারণ আমরা প্রত্যেক ব্যক্তিকে চিনি না যারা আমেরিকার পাসপোর্ট ব্যবহার করে সেখানে গিয়েছেন এবং প্রশিক্ষণ নিয়েছেন কিভাবে যুদ্ধ করতে হয়।"
প্রভাবশালী এই কংগ্রেসম্যান উদ্বেগ জানিয়ে আরও বলেন, প্রায় ৫শ ব্রিটিশ নাগরিক ও কয়েকশ কানাডিয়ান নাগরিক যারা সিরিয়ায় গিয়ে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন, তাদের কাছে ওই দুই দেশের পাসপোর্ট ছিল কী ছিল না সেটা বড় কথা নয়, এদের অনেকেই ভিসা ছাড়াই আমেরিকায় প্রবেশ করে থাকতে পারেন।
গত সপ্তাহে আমেরিকার উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেন, গত মাসের শুরুর দিকে আইএসআইএলের পক্ষে যুদ্ধ করার সময় সিরিয়ায় এক মার্কিন নাগরিক নিহত হন।
এদিকে, রোববার আমেরিকার আরেক আইনপ্রণেতা এক পৃথক বিবৃতিতে অবশ্য বলেন, আগামী সপ্তাহ নাগাদ সিরিয়ায় যুদ্ধরত গোষ্ঠীগুলো সম্পর্কে আরও পরিস্কার তথ্য পাওয়া যাবে।
ডেমোক্রেটিক পার্টির 'হাউজ ইন্টেলিজেন্স কমিটি'র সদস্য ডাচ রাপারসবার্জার সিএনএনকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে বলেন, আমাদের কাছে এখনো যেসব তথ্য নেই আগামী সপ্তাহ নাগাদ তা আমরা হাতে পাব এবং জানতে পারবো কী পরিকল্পনা সন্ত্রাসীরা গ্রহণ করতে যাচ্ছে। (সূত্র: এএফপি, তেহরান টাইমস)
ঢাকা, ২ সেপ্টম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, কেবি





