জার্মান চ্যান্সেলর এঙ্গেলা মর্কেলের ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক পার্টি রবিবারের নির্বাচনে বার্লিনে বড় ধরনের পরাজয়ের মুখে পড়েছে। বিশ্লেষকরা একে ঐতিহাসিক পরাজয় হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
অন্যদিকে নির্বাচনে বড় ধরনের সাফল্য পেয়েছে অভিবাসন ও শরনার্থীবিরোধী হিসেবে পরিচিত নতুন দল অলটারনেটিভ ফর জার্মানি বা এএফডি।
জার্মানির ১৬টি রাজ্যের মধ্যে এ বছরে অনুষ্ঠিত পাঁচটি রাজ্য পার্লামেন্ট বা প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনের সবগুলোতেই বড় ধরনের উত্থান ঘটলো অভিবাসন ও শরনার্থীবিরোধী হিসেবে পরিচিত নতুন দল অলটারনেটিভ ফর জার্মানি বা এএফডির।
বিবিসির খবরে বলা হয়, রবিবারের নির্বাচনে বড় ধরনের সাফল্য পেয়ে ডানপন্থী এ দলটি প্রথমবারের মতো বার্লিনের সিনেটে জায়গা করে নিয়েছে।
এর মাধ্যমে মর্কেলের অভিবাসন নীতির বিরোধিতা করে জনপ্রিয়তা পাওয়া এএফডির এখন ১৬টির মধ্যে দশটি রাজ্য পার্লামেন্টেই প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হলো।
নির্বাচনের ফল বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রাটদের ভোট কমেছে আঠারো শতাংশের মতো যা তাদের রাজ্য কোয়ালিশন সরকার থেকে বেরিয়ে আসতেও বাধ্য করতে পারে।
অন্যদিকে অভিবাসন বিরোধী এএফডি ১৪ শতাংশ ভোটারের সমর্থন লাভ করেছে। দেশটির নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী কোনো দল পাঁচ শতাংশ ভোট পেলে পার্লামেন্টে প্রতিনিধিত্ব করতে পারে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এঙ্গেলা মর্কেলের শরনার্থীদের জন্য দরজা খুলে দেয়ার নীতি মানুষের মধ্যে ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে।
এর মধ্যেই সাধারণ নির্বাচনের এক বছর আগে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের এমন ফলাফল উদারপন্থীদের জন্য উদ্বেগের কারণ হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
এমএনজে





