মিয়ানমারের সেনাপ্রধানসহ দেশটির শীর্ষ চার সামরিক কর্মকর্তার ওপর আরেক দফা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
রোহিঙ্গাসহ সংখ্যালঘু নিপীড়নের জন্য নতুন করে এই নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্তরা হলেন- মিয়ানমার সেনাবাহিনীর প্রধান সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাইং, সেনাবাহিনীর উপপ্রধান ভাইস সিনিয়র জেনারেল সোয়ে উইন, ৩৩ লাইট ইনফানট্রি ডিভিশনের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল অং অং ও ৯৯ লাইট ইনফানট্রি ডিভিশনের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল থান ও।
মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি ডিপার্টমেন্ট মিয়ানমারের সেনাকর্মকর্তাদের কালো তালিকাভুক্ত করে। যুক্তরাষ্ট্র এর আগেও মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল।
নিষেধাজ্ঞার ফলে যুক্তরাষ্ট্রে মিয়ানমারের ওইসব সামরিক কর্মকর্তার কোনো সম্পদ থাকলে তা জব্দ করা হবে। পাশাপাশি তাঁদের সঙ্গে কোনো ধরনের ব্যবসায়িক সম্পর্ক রাখতে পারবেন না কোনো মার্কিন নাগরিক।
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে মুসলিম সংখ্যালঘুদের ওপর চালানো গণহত্যার দায়ে দেশটির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) দায়েরকৃত মামলার শুনানি মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) শুরু হয়েছে।
শুনানির শুরুতে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর নির্বোধ হত্যাকাণ্ড বন্ধে দেশটির প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন গাম্বিয়ার আইন ও বিচারমন্ত্রী আবুবকর মারি তামবাদো। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানায়, মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টার দিকে ওই মামলার শুনানির শুরু হয়।
আজ (১১ ডিসেম্বর) বুধবার আত্মপক্ষ সমর্থন করে বক্তব্য দেবে বিবাদী মিয়ানমার। এর পর আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) হবে যুক্তিতর্ক।
গাম্বিয়ার পক্ষে মামলা লড়ছেন দেশটির অ্যাটর্নি জেনারেল এবং আইন ও বিচারমন্ত্রী আবুবকর তামবাদো। তিনি ১৯৯৪ সালে রুয়ান্ডায় গণহত্যার মামলায় এক দশকের বেশি সময় লড়াই করেছেন।
অন্যদিকে, মিয়ানমারের পক্ষে আদালতে বক্তব্য দেবেন ও যুক্তি খণ্ডন করবেন দেশটির স্টেট কাউন্সেলর অং সান সু চি। মিয়ানমার টাইমস জানিয়েছে, সু চির সঙ্গে থাকবেন দেশটির আইনজীবীরাও।
এমবি





