আফগানিস্তানে দীর্ঘ ২ দশক পর পুনরায় শাসন ক্ষমতায় ফিরে পেয়েছে তালেবান।

ইতোমধ্যে তালেবান আফগানিস্তানের ২য় বৃহত্তম শহর কান্দাহার ও ৩য় বৃহত্তম শহর হেরাতে অবস্থিত ভারতের কনস্যুলেটে তল্লাশি চালিয়েছে ।

ভারতের অভিযোগ, ‘এ দিন দূতাবাস দু’টি বন্ধ থাকলেও সেখানে জোরপূর্বক প্রবেশের মাধ্যমে তল্লাশি চালানো হয়’।

কনস্যুলেটে প্রবেশ করে আলমারি ভেঙে বিভিন্ন গোপন নথিপত্র খোঁজা হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হচ্ছে ভারতের পক্ষ থেকে।

তল্লাশির পাশাপাশি ভারতীয় কনস্যুলেটের বাইরে রাখা গাড়িগুলোও নিজেদের দখলে নিয়ে গেছে তালেবান।

গতকাল শুক্রবার ( ২০ আগস্ট ) দেশটির প্রভাবশালী একটি সংবাদ মাধ্যমের খবরে বলা হয়, এ সব ঘটনা সামনে আসার পর মুখ খুললেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

ঐতিহাসিক সোমনাথ মন্দিরে নতুন প্রকল্পের উদ্বোধন করার সময় তালেবান শাসন প্রসঙ্গে মোদি বলেন, ‘হিংস্রতা দিয়ে স্থাপিত শাসন কখনো বেশি দিন টিকে না। সন্ত্রাস আর আতঙ্ক দিয়ে যার শুরু হয়, তার স্থায়িত্ব অনেক কম।’

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে আরো বলা হয, কয়েকদিন আগেও আফগানিস্তানে ভারতীয় দূতাবাসগুলোর কোনো ক্ষতি করা হবে না বলে তালেবানের কাতার অফিস থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছিল।

দূতাবাস খালি না করার জন্য ভারতের কাছে আহ্বানও জানিয়েছিল তালেবান।

ভারত সরকারের সূত্র অনুযায়ী, কাতারে অবস্থিত তালেবান নেতা আব্বাস স্টানিকজাইয়ের অফিস থেকেই এই বার্তা দেয়া হয়েছিল।

চলতি সপ্তাহের শুরুতেই আফগানিস্তানের নিজেদের দূতাবাসের কর্মীদের উদ্ধার করে দেশে ফিরিয়ে আনে ভারত।

আফগানিস্তানের ভারতীয় রাষ্ট্রদূতকেও ফিরিয়ে আনা হয়। যদিও এখনো প্রায় ১ হাজার ভারতীয় আফগানিস্তানে আটকে রয়েছেন। তথ্যসূত্র : দ্য হিন্দু।

এইচএন