প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শুরুর দিকে বৃটেনের নারীদের জীবন ঘরের কাজ-কর্মের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু যুদ্ধ শুরু হলে পুরুষরা যুদ্ধে যেতে লাগল। আর এই সুযোগে ঘরের বাইরে বেরিয়ে আসলেন নারীরা। তারা কলকারখানা, দোকান এবং বিভিন্ন অফিসে কাজে যোগদান করলেন।
যুদ্ধচলাকালীন সময়ে পরিশ্রমী এই নারীদের জীবন কেমন ছিল? যুদ্ধ শেষে শান্তি ফিরে আসার পর নারীদেরকে কি বিভিন্ন অধিকার এবং স্বাধীনতা প্রদাণের মাধ্যমে পুরস্কৃত করা হয়েছিল?
[b]শূণ্যস্থান পূরণ করলেন নারীরা[/b]
পুরুষরা যুদ্ধে চলে যাওয়ার কারণে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে জনশক্তির সংকট তৈরী হয়। আর এ কারণে নারীরা কাজ করার সুযোগ পান। এক হিসেবে দেখা যায়, ১৯১৪ থেকে ১৯১৮ পর্যন্ত ১০ লাখেরও বেশি নারী ঘরের বাইরে কাজ করেছেন। তারা কাজ করেছেন ট্রাম ড্রাইভার, ট্রেন ক্লিনার, ডাক বিভাগের কর্মী এবং পুলিশ হিসেবে।
[b]যেমন ছিল কাজের পরিবেশ ও বেতন[/b]
গোলাবারুদ ও সামরিক সরঞ্জাম তৈরির কারখানায় নারীরা দৈনিক ১২ ঘন্টা কাজ করতেন। কোনো কোনো নারী ছুটি ছাড়া টানা ১৩ দিন কাজ করেছেন। তবে পুরুষদের সমান কাজ করেও তারা বেতন পেতেনে পুরুষদের অর্ধেক। এছাড়া ক্ষতিকার ক্যামিকেলের প্রভাবে তাদের শারিরীক সমস্যা দেখা দিয়েছিল।
[b]যুদ্ধ শেষ, সুযোগও শেষ:[/b]
যুদ্ধের পর কিছু কিছু নারীর জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছি। যেমন- ১৯১৯ সালে লিঙ্গ অযোগ্যতা (অপসরণ) আইন পাশ হয়। নতুন আইনে বলা হয়, শুধুমাত্র নারী হওয়ার কারণে কাউকে তার কর্মস্থল থেকে বের করে দেওয়া যাবে না। এই আইনের ফলে শিক্ষিত ও মধ্যবিত্ত নারীরা কাজ করার সুযোগ পেয়েছিলেন।
কিন্তু বিপরীত চিত্রও দেখা গেছে। যুদ্ধ ফেরত পুরুষেরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ শুরু করলে নারীরা তাদের কাজ হারাতে লাগল। কাজ হারানোর তালিকায় ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সাথে জড়িত নারীরা ছিল বেশি সংখ্যায়। যাহোক, বেকার নারীরা গৃহপরিচারিকা হিসেবে কাজ করতে লাগলেন। সূত্র: বিবিসি।
[b]ঢাকা, ১৩ মে (টাইমনিউজবিডি.কম)// টিআই[/b]

সূত্র: বিবিসি।
[b]ঢাকা, ১৩ মে (টাইমনিউজবিডি.কম)// টিআই
[/b]