[b]জেনেভা: [/b]শান্তি আলোচনাসভা চলাকালে সিরিয়ার সরকার এবং প্রধান রাজনৈতিক বিরোধপক্ষ ‌'সিরিয়ান ন্যাশনাল কোয়ালিশন' (এসএনসি) দেশটিতে চলমান সহিংসতার জন্য পরস্পরকে দোষারোপ করেছে।
জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন উভয় পক্ষের প্রতিনিধিদের গঠনমূলক আলোচনা করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। কিন্তু কোন পক্ষই তাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে সরে এসেছে বলে প্রতীয়মান হয়নি।
আজ বুধবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভার মন্ট্রিয়াক্স শহরে দুই দিনব্যাপী সিরিয়া বিষয়ক দ্বিতীয় সম্মেলন শুরু হয়। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি ও রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সার্গেই লাভরোভ আলোচনায় অংশ নিয়েছেন।
শান্তি আলোচনাসভায় সিরিয়ার ক্রান্তিকালীন সরকার ব্যবস্থার রূপরেখা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। তবে মূল ইস্যুটি দাড়িয়েছে, বর্তমান প্রেসিডেন্ট বাসার আল আসাদের ভবিষ্যৎ।
আশা করা হয়েছিল, শান্তি আলোচনা সভার প্রথম দিনটি হবে আনুষ্ঠানিক। কিন্তু তেমনটি হয়নি।  
আজ আলোচনাসভার প্রথম দিন সিরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রী ও প্রেসিডেন্ট আসাদের পক্ষের প্রতিনিধি দলের প্রধান ওয়ালিদ মুয়াল্লেম বলেন, তার দেশ সন্ত্রাসী গ্রুপগুলোর বিরুদ্ধে যুদ্ধে  নিয়োজিত। প্রেসিডেন্ট আসাদের  বিষয়ে তিনি বলেন, শুধুমাত্র সিরিয়ার জনগণ প্রেসিডেন্টের ভবিষ্যতের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিবেন।
অন্যদিকে বিরোধপক্ষ ‌'সিরিয়ান ন্যাশনাল  কোয়ালিশন' (এসএনসি)-এর নেতা আহমদ জারবা বলেন, সিরিয়ায় মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলো জার্মানের নাৎসি বাহিনীর স্মৃতি বহন করে।
তিনি আরো বলেন, প্রেসিডেন্ট আসাদের পদত্যাগ শান্তির জন্য পূর্বশর্ত।
উল্লেখ্য, ২০১১ সালে সিরিয়ায় সংঘাত শুরু হওয়ার পর সিরিয়ার সরকার ও প্রধান রাজনৈতিক বিরোধপক্ষ ‌'সিরিয়ান ন্যাশনাল  কোয়ালিশন' (এসএনসি) প্রথমবারের মতো সংকট সমাধানের জন্য আলোচনায় বসেছে। আলোচনা থেকে বড় ধরনের সাফল্য অর্জন হতে পারে বলে বিশ্ব সম্পদায় আশা করছে।
ঢাকা,জানুয়ারি(টাইসনিউজবিডি)// টিআই