দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তীকালে ইউরোপ এমন মহাসংকটের মুখোমুখি হয়নি। বর্তমান ইউক্রেন সংকট ইউরোপ তথা মার্কিন নেতৃত্বাধীন পশ্চিমা বিশ্বকে এক নতুন চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন করেছে।
তা হচ্ছে— সোভিয়েত ধ্বংসাবশেষ থেকে জেগে ওঠা রাশিয়ান ফেডারেশন। পূর্বেকার মার্কিন-সোভিয়েত দ্বন্দ্ব স্নায়ুযুদ্ধ নামে পরিচিত ছিল। এই প্রথমবারের মতো স্নায়ু নয়, বরং সরাসরি যুদ্ধাবস্থার মোকাবেলা করতে হচ্ছে ইউরোপকে। নতুন একক বৈশ্বিক ধারণার বিপরীতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংকট মোকাবেলায় রুশ ফেডারেশনের সাম্প্রতিক ভূমিকা আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক মহলে তাত্পর্যপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে।
পটভূমি:পূর্ব ইউরোপের কৃষ্নসাগরের তীরবর্তী ইউক্রেন ১৯৯১ সালের আগস্টে সোভিয়েত বলয় থেকে বেরিয়ে আসে এবং স্বাধীনতা ঘোষণা করে। ১৯৯১ সালের ১ ডিসেম্বরে গৃহীত এক গণভোটে স্বাধীনতার ঘোষণা নিরঙ্কুশভাবে সমর্থিত হয়।
দীর্ঘকাল ধরে সোভিয়েত আগ্রাসনে নিষ্পিষ্ট এই জাতি গণতান্ত্রিক প্রথা-প্রতিষ্ঠান গড়তে রীতিমতো হিমশিম খায়। পাশ্চাত্যের গণতন্ত্র এবং সোভিয়েত কর্তৃত্ববাদের দ্বন্দ্ব-বিগ্রহে ইউক্রেনের স্বাধীনতা বিপন্ন হয়ে ওঠে। একদিকে পরাক্রমশালী প্রতিবেশীর আধিপত্যবাদ এবং অন্যদিকে ঘরের শত্রু বিভীষণ দেশটিকে গৃহযুদ্ধের প্রান্তসীমায় নিয়ে যায়।
বর্তমান সংকটের শুরু:সোভিয়েত বলয়পুষ্ট ইউক্রেন ২০১৩ সালের ২১ নভেম্বর ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার পদক্ষেপ নেয়। এ চুক্তি নিয়ে ইউক্রেনবাসী বিভক্ত হয়ে পড়ে।
৫ কোটি ২০ লাখ জন-অধ্যুষিত ইউক্রেনের ৭৩ শতাংশ মূলত আদি ইউক্রেনবাসী। আর ২২ শতাংশ হচ্ছে রুশ গোত্র উদ্ভূত জনগোষ্ঠী। সংখ্যাগরিষ্ঠ জনসাধারণ ইউরোপীয় ইউনিয়নের সুবিধা নিতে আগ্রহী হলেও ক্ষুব্ধ হয় রুশ উদ্ভূত জনগোষ্ঠী।
তারা ভাবে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছাকাছি হওয়ার অর্থ রুশ ফেডারেশন থেকে দূরে যাওয়া। তখন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ছিলেন ভিক্টর ইয়োনোকোভিচ। তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের ইচ্ছায় ইউরোপীয় ইউনিয়নমুখী হলেও মনেপ্রাণে এর বিরোধী ছিলেন। কারণ তিনি জাতিগতভাবে রুশ।
দীর্ঘকাল ধরে মস্কোর অধীনে থাকায় এমনিতেই ইউক্রেনের জনগণ ‘অধীনতামূলক মিত্রতার’ প্রতি আসক্ত। স্বাক্ষরের প্রাক্কালে মস্কো থেকে চুক্তি স্বাক্ষর না করার জন্য প্রবল চাপ আসে। প্রেসিডেন্ট ইয়োনোকোভিচ সুবর্ণ সুযোগ কাজে লাগান।
২০১৩ সালের ২১ নভেম্বর তিনি চুক্তি স্বাক্ষর স্থগিত করেন। তার এ জনস্বার্থবিরোধী ভূমিকায় ক্ষিপ্ত হয় জনসাধারণ। অন্যদিকে তুষ্ট হয় লঘিষ্ঠ রুশ বংশোদ্ভূত জনগোষ্ঠী। শুরু হয় ইয়োনোকোভিচের বিরুদ্ধে গণআন্দোলন। দীর্ঘস্থায়ী এ গণআন্দোলনে অবশেষে প্রেসিডেন্ট ইয়োনোকোভিচ মস্কোয় পলায়ন করেন।
২০১৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি তিনি রাজধানী কিয়েভ ত্যাগ করার পর পরই রুশ জন-অধ্যুষিত ইউক্রেনের পূর্ব ও দক্ষিণ অঞ্চলে রাজনৈতিক অস্থিরতা দেখা দেয়। রুশ উদ্ভূত জনগোষ্ঠী পলাতক প্রেসিডেন্ট ইয়োনোকোভিচের পক্ষে আন্দোলন শুরু করে। এটি সহিংসতার রূপ নেয়। গরিষ্ঠ ইউক্রেন জনগোষ্ঠী এবং লঘিষ্ঠ রুশ জনগোষ্ঠী রীতিমতো গৃহযুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। পূর্ব ইউক্রেনের দোনেস্ক এবং দক্ষিণের লুহানস্ক স্বাধীনতা ঘোষণা করে।
রাশিয়ার ক্রাইমিয়া দখল: গৃহযুদ্ধের সুযোগে পার্শ্ববর্তী মহাশক্তিধর রুশ ফেডারেশন ইউক্রেনের দক্ষিণ অঞ্চলীয় স্বায়ত্তশাসিত ক্রাইমিয়া উপদ্বীপ দখল করে নেয়। প্রথম দিকে রাশিয়া ক্রাইমিয়া দখলকে অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহ বলে অভিহিত করে।
অবশেষে ২০১৪ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি ক্রাইমিয়ার জাতীয় সংসদে যখন রুশ পতাকা উড়তে দেখা যায়, তখন রুশ দখল দৃশ্যমান হয়। দখলকারীদের অনুসৃত কূটকৌশল অনুযায়ী ক্রাইমিয়া উপদ্বীপে রুশপন্থী শিখণ্ডী সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়। সেখানে ২০১৪ সালের ১৬ মার্চ লোক দেখানো গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। আন্তর্জাতিক আইন-কানুন এবং গোটা বিশ্বের প্রতিবাদের মুখে ২০১৪ সালের ১৮ মার্চ রাশিয়া ক্রাইমিয়াকে তার অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে ঘোষণা করে।
মূল ভূখণ্ডে রুশ অনুপ্রবেশ: শুধু ক্রাইমিয়া দখল করেই রুশ ফেডারেশন ক্ষান্ত হয়নি। এবার তারা হাত বাড়ায় দোনেস্ক এবং লুহানস্ক একত্রে কথিত ‘ডনবাস’-এর দিকে। ২০১৪ সালের ২২-২৫ আগস্টের মধ্যে রুশ সেনাবাহিনীর এক বিরাট বহর তথাকথিত মানবিক ত্রাণের নামে ‘ডনবাস’ অঞ্চলে প্রবেশ করে।
ইউক্রেন সেনাবাহিনীর ওপর তারা গোলাবর্ষণ করে। তারা সরাসরি বিদ্রোহী গ্রুপগুলোকে সশস্ত্র সহায়তা দেয়। ইউক্রেন সরকারের অনুমতি না নিয়ে রুশ সেনাদের এই অনুপ্রবেশ ইউক্রেনের সার্বভৌমত্বের প্রতি রীতিমতো অবজ্ঞা। ইউক্রেনের জাতীয় নিরাপত্তা প্রধান এই অবৈধ প্রবেশকে ইউক্রেনের প্রতি রাশিয়ার সরাসরি আক্রমণ বলে অভিহিত করেন।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম রাশিয়ার এ হীন কার্যক্রমকে ‘চৌর্যবৃত্তিমূলক দখল’ বলে বর্ণনা করে। এরূপ সরাসরি আক্রমণের ফলে ‘অবৈধ স্বাধীনতা ঘোষণাকারী’ ডনবাস অঞ্চল রীতিমতো স্বাধীন হয়ে পড়ে। এসব বিপরীতমুখী যুদ্ধবিগ্রহের মাঝেও শান্তি প্রায় অক্ষুণ্ন ছিল। বেলারুশের রাজধানী মিনস্কে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ২০১৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর। কিন্তু উভয় পক্ষ থেকেই বারবার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘিত হয়।
পাশ্চাত্যের প্রতিক্রিয়া: রাশিয়া কর্তৃক ক্রাইমিয়া এবং ইউক্রেনের রুশ বংশোদ্ভূত ডনবাস অঞ্চল প্রকারান্তরে দখল করায় পাশ্চাত্যসহ সারা বিশ্বে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ ইরাকের সাদ্দাম কর্তৃক কুয়েত দখলে ত্বরিত এবং কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারলেও রাশিয়া কর্তৃক ক্রাইমিয়া দখলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়। পাশ্চাত্য রুশ অগ্রাভিজানকে ন্যাটোর প্রতি চ্যালেঞ্জ বলে মনে করে।
প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন পশ্চিমা কার্যাব্যবস্থাকে রুশ স্বার্থের পরিপন্থী বলে অভিহিত করেন। গত সপ্তাহে মিসর সফরকালে পুতিন অভিযোগ করেন, পশ্চিমা দেশগুলো ন্যাটোর সম্প্রসারণ না করার প্রতিজ্ঞা ভঙ্গ করেছে। তিনি আরো অভিযোগ করেন, পূর্ব ইউরোপের দেশগুলো রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক নির্ণয়ে চাপের মধ্যে রয়েছে। ক্রাইমিয়া দখলের অব্যবহিত পরে রাশিয়ার বিরুদ্ধে পাশ্চাত্য অর্থনৈতিক অবরোধ ঘোষণা করে।
শক্তি বাড়াচ্ছে ন্যাটো: ইউক্রেনে লড়াই তীব্রতার প্রেক্ষাপটে পূর্ব ইউরোপে সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে ন্যাটো। মার্কিন নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের প্রধান বলেছেন, স্নায়ুযুদ্ধের পর এটাই হবে ন্যাটোর সামষ্টিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েনের সবচেয়ে বড় ঘটনা। ন্যাটো জোটভুক্ত দেশগুলোর প্রতিরক্ষামন্ত্রীরা গত সপ্তাহে ন্যাটো সদর দফতর, বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে এক জরুরি বৈঠকে বসেন। ন্যাটো বাহিনীর উপস্থিতি বৃদ্ধির মাধ্যমে পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোকে নিরাপত্তার ব্যাপারে আস্বস্ত করাই ছিল ওই বৈঠকের মূল লক্ষ্য। বৈঠকে পাঁচ হাজার সেনার সমন্বয়ে একটি বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়। ন্যাটো প্রধান জেনস স্তলতেনবার্গ বলেন, রুশ আগ্রাসনের কারণে ন্যাটো জোট তার নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে মৌলিক পরিবর্তনের মুখোমুখি হয়েছে।
মার্কিন ভূমিকা: পূর্ব ইউরোপে রুশপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদীদের মোকাবেলায় সরকারি বাহিনীকে অস্ত্রসহায়তা দেয়া যায় কিনা, যুক্তরাষ্ট্র তা বিবেচনা করছে বলে দেশটির পক্ষ থেকে ঘোষণা দেয়া হয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ওবামা মনোনীত প্রতিরক্ষামন্ত্রী আশটন কার্টার মার্কিন সিনেট কমিটিতে বলেন, ‘আমাদের উচিত ইউক্রেনের জনগণকে তাদের প্রতিরক্ষা জোরদারে সাহায্য করা।’ ইউরোপীয় শক্তিগুলোর কেউ কেউ মার্কিন অস্ত্র সরবরাহের বিরোধিতা করে বলেন, এর ফলে সংঘর্ষ দীর্ঘায়িত হবে। বস্তুত ক্রাইমিয়া দখলের পর থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রই রুশবিরোধী যাবতীয় কার্যব্যবস্থার নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছে।
দৌড়ঝাঁপ কূটনীতি: ইউক্রেন সংকট নিরসনে পশ্চিমা নেতারা যে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছেন, তার প্রমাণ চলমান দৌড়ঝাঁপ কূটনীতি। পূর্ব ইউক্রেনে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেল এবং ফরাসি প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া ওলাঁদ নতুন এক শান্তি পরিকল্পনা নিয়ে অগ্রসর হচ্ছেন। ইউরোপের শক্তিধর এই দুই নেতা ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে গত সপ্তাহে পৌঁছেন। এর আগে কিয়েভ পৌঁছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি বলেন, ‘আমরা কূটনৈতিক সমাধান চাই। কিন্তু আমরা রাশিয়ার সীমান্ত অতিক্রমকারী ট্যাংকগুলোর প্রতি চোখ বন্ধ করে থাকতে পারি না।’ ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইউক্রেনের আঞ্চলিক অখণ্ডতার ভিত্তিতে একটি সমাধানের কথা বলেন।
প্রস্তাবিত পরিকল্পনাটি ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট পেত্রোপেরোসিংকো অনুমোদন করলে উভয় নেতা মস্কো যাবেন। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের অনুমোদন পেলে পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া শুরু হবে। চুক্তিটি চূড়ান্তকরণে মিনস্কে শীর্ষপর্যায়ের বৈঠক নির্ধারিত আছে।
ফরাসি প্রেসিডেন্ট সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ‘অনির্দিষ্টকালের জন্য কূটনীতি চলতে পারে না।’ এরই মধ্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে মস্কো-ওয়াশিংটন আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। মিউনিকে আহূত এক নিরাপত্তা সম্মেলনের সুযোগে দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইউক্রেন পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন। উল্লেখ্য, ইউক্রেন সংকট শুরুর পর থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, গ্রেট ব্রিটেন, জার্মানি ও ফ্রান্স রুশ অগ্রাভিজান রোধে সম্মিলিত এবং সমন্বিত রণকৌশল নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।
সম্প্রতি রয়টার্স ও বিবিসি পরিবেশিত খবরে বলা হয়, রাশিয়ার কয়েক হাজার সেনা ইউক্রেন সীমান্তের কাছে বড় আকারের সামরিক মহড়া শুরু করেছে। রাশিয়ার সামরিক কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে বলা হয়, দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে শত্রুপক্ষের অবস্থান শনাক্তকারী দলের প্রায় ২ হাজার সেনা মহড়া শুরু করেছে।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বলেছেন, কূটনৈতিক উদ্যোগ ব্যর্থ হলে ইউক্রেনকে অস্ত্র সরবরাহের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেলের সঙ্গে বৈঠকের পর এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন ওবামা।
দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের অবসানের পর যুদ্ধবিগ্রহ-কেন্দ্রিকতা পাশ্চাত্য থেকে প্রাচ্যে স্থানান্তর হয়। এশিয়া, আফ্রিকা, লাতিন আমেরিকার উন্নয়নশীল দেশগুলো হয়ে ওঠে পাশ্চাত্য সমরাস্ত্রের বিক্রয়কেন্দ্র।
পৃথিবীর মানুষের নিরাপত্তার জন্য এসব যুদ্ধ হয়ে ওঠে বড় ধরনের হুমকি। কিন্তু পৃথিবীর উন্নত মানচিত্রে বিশেষত ইউরোপের প্রাণকেন্দ্রে যুদ্ধের যে কোনো মহড়া বিচলিত করে বিশ্বের সাধারণ মানুষকে। তা আরো ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে নতুন করে উত্থিত আধিপত্যের প্রতিযোগিতায়।
এসএইচ





