উহান শহর থেকে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস। এই ভাইরাসে সংকটাপন্ন অবস্থা থেকে ধীরে ধীরে স্বস্তিতে ফিরে এসেছে চীন।
কিন্তু নিজেদের শঙ্কা কাটাতে না কাটাতেই আরো এক সমস্যা পেয়ে বসেছে চীনকে। দেশটির ভেতরে কেউ করোনায় আক্রান্ত না হলেও অন্য দেশ থেকে আসা মানুষের মাধ্যমে ছড়াচ্ছে ভাইরাসটি। এর মধ্যে দেশটিতে নতুন করে বিভিন্ন দেশ থেকে আসা ৩৪ জন করোনা রোগী শনাক্ত করা হয়েছে।
রাজধানী বেইজিংয়ে নতুন করে ২১ জন বাইরে থেকে আক্রান্ত হয়ে এসেছেন। তাঁদের অধিকাংশই স্পেন ও যুক্তরাজ্যের বাসিন্দা। এছাড়া অন্যরাও বিভিন্ন দেশ থেকে এসেছেন। এর ফলে নতুন এক চিন্তায় পড়েছে চীন। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই খবর জানানো হয়েছে।
গত সপ্তাহ থেকে চীনে বেইজিং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সব আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের জন্য একটি বিশেষ জোনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেখানে সব যাত্রীর স্বাস্থ্যতথ্য জমা দিতে হচ্ছে। এছাড়া উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষকে নির্দিষ্ট স্থানে বাধ্যতামূলক ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে রাখা হচ্ছে।
আজ (১৯ মার্চ) বৃহস্পতিবার চীনা গণমাধ্যম জানিয়েছে, কেউ বাইরে থেকে এসে সেলফ কোয়ারেন্টিনে থাকতে চাইলে তাঁকে অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। এছাড়া সেলফ আইসোলেশনে থাকার জন্য কারো আলাদা স্থানের ব্যবস্থা থাকলেও তাঁকে সেখানে থাকার জন্য অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না।
এরই মধ্যে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চীনে মোট মৃতের সংখ্যা ৩ হাজার ২৪৫ বলে জানা গেছে। এছাড়া দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৮০ হাজার ৯২৮ জন। এর মধ্যে সেখানে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৭০ হাজার ৪২০ জন।
চীন ছাড়াও ১৭৩টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস। সারা বিশ্বে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৯২৫ জনে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ ১৯ হাজার ২৮৬ জন বলে জানা গেছে। এছাড়া সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৮৪ হাজার ৮০১ জন। বার্তা সংস্থা বিএনও নিউজ এই খবর জানিয়েছে।
এমবি





