লোকসভা ভোট নিয়ে এখন সরগরম গোটা দেশ। বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণতন্ত্রের বৃহত্তম উৎসব। কিন্তু সেই উৎসবে এবারও উপেক্ষিতই থেকে গেলেন নারীরা। কয়েকদিনের মধ্যেই দিল্লির তখতে কে বসবে তা নিয়ে রায় দিতে চলেছে বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র। কিন্তু এই মহাযজ্ঞে যাদের 'অর্ধেক আকাশ' বলা হয় সেই মহিলাদের ভূমিকা কতটা? ভারতের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় কতটা কার্যকর হয়েছে নারীর ক্ষমতায়নের তত্ত্ব? বুঝে নিতে একবার চোখ বুলিয়ে নেওয়া যাক দেশের বড় দুই দল কংগ্রেস ও বিজেপির প্রার্থী তালিকায়।
গণতন্ত্রে অর্ধেক আকাশ। ২০০৪-এর লোকসভা ভোটে কংগ্রেসের মহিলা প্রার্থীর সংখ্যা ছিল ৪৫ জন। মোট প্রার্থীর মাত্র ১০.৮%। ২০০৯-এর লোকসভা ভোটে তা নেমে দাঁড়ায় ৪৩ জনে। মোট প্রার্থীর ৯.৮%। আর ২০১৪ সালে লোকসভা ভোটে কংগ্রেসের মহিলা প্রার্থীর সংখ্যা সামান্য বেড়ে ৫৫ জন। যেখানে কংগ্রেসের মোট প্রার্থীর সংখ্যা ৪১৭ জন। অর্থাৎ মাত্র ১৩.১% মহিলা প্রার্থী দিয়েছে কংগ্রেস।
এবিষয়ে বিজেপির হাল আরও খারাপ। ২০০৪-এর লোকসভা ভোটে বিজেপির মহিলা প্রার্থীর সংখ্যা ছিল ৩০ জন। মোট প্রার্থীর মাত্র ৮.২%। ২০০৯-এর লোকসভা ভোটে তা সামান্য বেড়ে দাঁড়।য় ৪৪ জনে। মোট প্রার্থীর ১০.২% । আর ২০১৪ সালে লোকসভা ভোটে বিজেপির চারশো পনেরো জন প্রার্থীর মধ্যে মহিলার সংখ্যা মাত্র ৩৬ জন। অর্থাতৎ বিজেপি মহিলা প্রার্থী দিয়েছে মাত্র ৮.১০%।
দেখাই যাচ্ছে নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে ভোট প্রচারে যতই গলা ফাটান না কেন নরেন্দ্র মোদী বা রাহুল গান্ধী, গণতন্ত্রে মহিলাদের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে তেমন ইতিবাচক ভূমিকা নিতে পারেনি কংগ্রেস বা বিজেপি দুই বড় দলের কেউই।
স্বাধীনতার পর থেকে লোকসভায় সাংসদ হিসাবে মহিলাদের প্রতিনিধিত্বের দিকেও যদি আমরা চোখ রাখি সেই একই দীনতার ছবি ভেসে উঠবে।
১৯৫২ সালে প্রথম লোকসভায় মহিলা সাংসদ ছিলেন মাত্র ২২ জন। মোট সাংসদের মাত্র ৪.৪% জন।
১৯৭৭ সালে লোকসভায় মহিলা সাংসদের সংখ্যা ছিল সবচেয়ে কম। মাত্র ১৯ জন। মোট সাংসদের ৩.৮%।
আর ২০০৯ সালে ৫৮ জন মহিলা ভোটে জিতে সাংসদ হিসাবে লোকসভায় গিয়েছিলেন। যা সংসদের ইতিহাসে সর্বাধিক।
মহিলা বিল নিয়েও যথেষ্টই টালবাহানা হয়েছে সংসদে। রাজ্যসভাতে পাস হলেও লোকসভায় এখনও পাস হয়নি এই বিল। সব মিলিয়ে পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্রে অর্ধেক আকাশ এখনও উপেক্ষিতই। সূত্র: জিনিউজ।
[b]ঢাকা, ৩ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি.কম) // টিআই[/b]
পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্রের বৃহত্তম ভোট `উৎসবে` এবারও উপেক্ষিত নারীরা
লোকসভা ভোট নিয়ে এখন সরগরম গোটা দেশ। বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণতন্ত্রের বৃহত্তম উৎসব। কিন্তু সেই উৎসবে এবারও উপেক্ষিতই থেকে গেলেন নারীরা। কয়েকদিনের মধ্যেই দিল্লির তখতে কে বসবে তা নিয়ে রায় দিতে চলেছে বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র। কিন্তু এই মহাযজ্ঞে যাদের
মতভেদ ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ গণতন্ত্রের সৌন্দর্য : রাষ্ট্রপতি
রাজনীতিতে মতপার্থক্য, গঠনমূলক সমালোচনা এবং শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ গণতন্ত্রের স্বাভাবিক ও গুরুত্বপূর্ণ অংশ বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। প্রতিহিংসার রাজনীতি গণতান্ত্রিক পরিবেশের বিকাশে বাধা সৃষ্টি করে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
গণতন্ত্র চর্চার মাধ্যমেই বিকশিত হয় : রাষ্ট্রপতি
গণতন্ত্রকে কার্যকর ও টেকসই করতে নিয়মিত চর্চার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, গণতন্ত্র কোনো একদিনে তৈরি হয় না; নিয়মিত চর্চার মধ্য দিয়ে ধাপে ধাপে এটি একটি সংস্কৃতিতে পরিণত হয়।
রাষ্ট্রপতি গণতন্ত্রকে রক্ষা করাটাই এখন সবচেয়ে বড় কাজ
গণতন্ত্রকে রক্ষা করাটাই এখন আমাদের সবচেয়ে বড় কাজ ও দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সিলেট সিটি কর্পোরেশন প্রাঙ্গণে নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে বক্তব্যকালে তিনি এ কথা বলেন।
বিবৃতিতে বিরোধীদলীয় নেতা গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ভুলে গেছে বিএনপি
১৫ সেপ্টেম্বর ‘আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস’ উপলক্ষে সোমবার গণমাধ্যমে দেয়া বিবৃতিতে বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, গণতন্ত্র কেবল সরকার গঠনের কোনো সাময়িক প্রক্রিয়া নয়, বরং এটি মানুষের মৌলিক অধিকার, সামাজিক ন্যায়বিচার, বাকস্বাধীনতা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার প্রধান ভিত্তি। গণতন্ত্র সুরক্ষিত থাকলে একটি সমাজ স্বৈরাচার, শোষণ ও বৈষম্য থেকে মুক্ত থেকে অগ্রগতির পথে এগিয়ে যেতে পারে।
রাষ্ট্রপতি গণতন্ত্রকে বাঁচাতে হলে গণমাধ্যমকেও বাঁচাতে হবে
গণতন্ত্রকে বাঁচাতে হলে গণমাধ্যমকেও বাঁচাতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, গণতন্ত্রের মূল শক্তি হচ্ছে গণমাধ্যম। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও সুশাসনের স্বার্থে গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
















