যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় মার্কিন সীমান্তরক্ষী কর্তৃক অবৈধ অভিবাসীদের আটকের পর যৌন নির্যাতন চালানোর অভিযোগ উঠেছে।
ভুল করে অবৈধদের ছেড়ে দেওয়া, কর্মস্থলে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়া, মদ খেয়ে মাতাল হওয়া এবং সরকারি ব্ল্যাকবেরি দিয়ে যৌনকর্মীদেরও অর্ডার করেন সীমান্তরক্ষীরা। এমন সব অপকর্মের জন্য দুই বছরে ৫০০ জনকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে, তবে শাস্তি দেওয়া হয়েছে নামমাত্রই।
যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি এজেন্সির সীমান্তরক্ষী বাহিনী ইমিগ্র্যান্ট অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) কর্মীরা এতটাই অপকর্মে জড়িয়ে পড়েছে যে, একটি তদারকি সংস্থা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রশাসনকে বলেছে, এসব কর্মী খুবই বিরক্তি সৃষ্টি করেছে।
তাদের সরিয়ে অন্য কোনো কাজে নিযুক্ত করা হোক। যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্ত এলাকাগুলোতে ১৮০টি স্থাপনায় বিতাড়নের অপেক্ষায় রয়েছেন ৩৪ হাজার অবৈধ অভিবাসী। তাদের দায়িত্বে রয়েছেন পাঁচ হাজার আইসিই কর্মী।
তদন্ত সংস্থাটি জানতে পেরেছে, অপকর্মের জন্য মাত্র ১২ জনকে এ পর্যন্ত চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। ১৪ জন পদত্যাগ করেছেন এবং ১৬ জন আগাম অবসর নিয়েছেন। কিন্তু ১২১ জনকে সামান্য সময়ের জন্য প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং ৮৩ জনকে মাত্র কাউন্সেলিং দেওয়া হয়েছে।
ওই সংস্থার তদন্তে বেরিয়ে এসেছে, ২০১৩ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত দুই বছরে আইসিই কর্মকর্তাদের ৪৯৭ জন বিভিন্ন অপরাধ-অপকর্মে যুক্ত হয়েছেন। তবে তাদের বেশির ভাগই এখনও কর্মক্ষেত্রে বহাল রয়েছেন। তবে অধিকাংশই অপরাধে লিপ্ত। আর শাস্তির আওতায় আনা হয়েছে খুব কমই।
মাহমুদ





