ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি বলেছেন, তার দেশের উপর থেকে যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া পর্যন্ত ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনো রকমের আলোচনা হবে না।
প্রেসিডেন্ট রুহানি বলেন, ইরানি জনগণের অধিকারের প্রতি সম্মান দেখানো হবে আলোচনার প্রথম পদক্ষেপ। তিনি মার্কিন নিষেধাজ্ঞাকে নিষ্ঠুর এবং বেআইনি বলেও অভিহিত করেন। তিনি বলেন, নিতান্তই ফটোসেশনের জন্য ইরান কারো সঙ্গে আলোচনায় বসবে না।
ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে আলোচনায় বসবেন বলে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাকরন আশা প্রকাশ করার একদিন পর ইরানের প্রেসিডেন্ট এই ঘোষণা দিলেন।
তিনি বলেন, আমরা আলোচনার মাধ্যমে যৌক্তিক উপায়ে যেকোনো সমস্যা বা ইস্যুর সমাধান করতে চাই তবে আমরা ফটোসেশনের ব্যাপারে আগ্রহী নই। যেকোন ব্যক্তি হাসান রুহানির সঙ্গে ছবি তুলতে চাইলে সেটা সম্ভব নয় যদি না সেই পক্ষ নিবর্তনমূলক নিষেধাজ্ঞা বাতিল না করে এবং ইরানের জনগণের অধিকারকে সম্মান না করে।
প্রেসিডেন্ট রুহানির বক্তব্য মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) জাতীয় টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে সরাসরি সম্প্রচারিত হয়।
তিনি বলেন, “আমরা কোনো ব্যক্তির সঙ্গে আলোচনায় বসব শুধুমাত্র ইরানের জাতীয় স্বার্থ এবং জনগণের অধিকার রক্ষার জন্য।”তিনি বলেন, যারা অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদ চালাচ্ছে তাদের ব্যাপারে ইরানের দৃষ্টিভঙ্গিতে শুধুমাত্র তখনই পরিবর্তন আসবে যদি যখন তারা অতীতের ভুলের জন্য দুঃখ প্রকাশ করবে।
ড. হাসান রুহানি বলেন আমেরিকা যতক্ষণ পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং শত্রুতামূলক অর্থনৈতিক নীতি পরিবর্তন না করবে ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা কোনো ইতিবাচক পরিবর্তন হয়েছে বলে মনে করব না।
ইরানের সামরিক ডকট্রিনের ব্যাপারে প্রেসিডেন্ট বলেন, প্রচলিত অস্ত্রের উপর ভিত্তি করে ইরানের সামরিক নীতি পরিচালিত হয়; তেহরান কখনো পরমাণু, রাসায়নিক কিংবা জীবাণু অস্ত্রের মতো গণবিধ্বংসী অস্ত্র তৈরি করতে চায় নি।
এমবি





