ইরাকের উত্তরাঞ্চলে সুন্নী বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় দফায় বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
পেন্টাগন জানিয়েছে, মার্কিন ড্রোন ও নৌবাহিনীর যুদ্ধবিমান ইরবিলের কুর্দিশ শহরের কাছে হামলা চালিয়েছে। এর আগে ওই এলাকাতেই শুক্রবার প্রথমবার হামলা চালিয়েছিল মার্কিন বিমান।
এক বিবৃতিতে পেন্টাগন জানায়, মার্কিন বিমান বাহিনীর দুটো এফএ১৮ বোমারু বিমান থেকে ৫০০ পাউন্ড ওজনের লেসার-নিয়ন্ত্রিত বোমা দিয়ে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করা হয়েছে। প্রথম দফার হামলার পর, আইএস বিদ্রোহীদের অবস্থান এবং গাড়িবহরের উপর চারটি ফাইটার জেট এবং একটি মানববিহীন ড্রোন দিয়ে আরো দুবার হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
পেন্টাগন বলছে, দ্বিতীয় দফার হামলায় জঙ্গিদের একটি মর্টার কেন্দ্র ধ্বংসের পাশাপাশি তাদের একটি দলকেও হত্যা করা হয়েছে।
এরই একঘন্টা পরে লেজার গাইডেড বোমা দিয়ে একটি সাতটি গাড়ির একটি বহরে হামলা করা হয়েছে। ভুমধ্যসাগরে থাকা একটি বিমানবাহী ক্যারিয়ার থেকে ওই হামলাগুলো পরিচালনা করা হচ্ছে।
বিমান থেকে ত্রাণ নিক্ষেপ
বিদ্রোহীদের হামলা থেকে বাঁচতে হাজার হাজার ইরাকি পাহাড়ে আশ্রয় নিয়েছে। আশ্রয় নেয়া এসব মানুষদের জন্য ৭২ বান্ডিল ত্রাণ বিমান থেকে নিক্ষেপ করেছে মার্কিন সেনারা। একটি মার্কিন সি-১৭ এবং দুইটি সি-১৩০ কার্গো বিমান থেকে এসব ত্রাণ নিক্ষেপ করা হয়। কার্গোবিমানগুলোর নিরাপত্তার জন্য দুইটি এফ/এ-১৮ বিমান নিয়োজিত ছিল।
উল্লেখ্য, জুন মাসে যখন আইএস ইরাকের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মসুল দখল করে নেয়, ইরাকের নুরী আর মালিকির সরকার সামরিক হস্তক্ষেপের আবেদন করেছিল। যুক্তরাষ্ট্র তখন কান দেয়নি। বিবিসির প্রতিরক্ষা সংবাদদাতা জনাথন মার্কাস বলছেন, এখন কুর্দিদের সাহায্যে মার্কিন এই সামরিক হস্তক্ষেপের হয়ত নানা বিশ্লেষণ ব্যাখ্যা হবে। সূত্র : বিবিসি
ঢাকা,৯ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, টিআই





