সোমবার থেকে এ বিশাল জনসমুদ্রের জন্য পানি সরবরাহ করছে মাত্র ৭০ টি ভ্রাম্যমান ট্যাংক। এ যেন এক বিশাল মরুভূমির তেষ্টা মেটানোর বৃথা চেষ্টা।


পার্শ্ববর্তী প্রদেশ হরিয়ানায় সরকাররি চাকুরিতে কোটা সুবিধার দাবিতে জাঠ সম্প্রদায়ের টানা বিক্ষোভ থেকে এ সংকট সৃষ্টি হয়েছে। বিক্ষোভকারীরা হারিয়ানা থেকে দিল্লিতে পানি সরবরাহের প্রধান নালা মুনাক খালের দেয়াল শনিবার ভেঙ্গে ফেলে। এতে পানিরধারা বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে ‘পানিশূণ্য’ হয়ে পড়ে দিল্লিতে।


প্রদেশটির পানিমন্ত্রী কপিল মিশ্রা বলেন, রাজধানীর ৬০ ভাগ বিশুদ্ধ পানির উৎস এ মুনাক খাল। এছাড়া ভূগর্ভস্থ উৎস থেকে ২৫ ভাগ আর দূষিত যমুনা নদী থেকে আসে ১২ ভাগ পানি।


মুনাক খালের প্রবাহ যদি বন্ধ নাও হতো তাতেও দিল্লিবাসীর প্রয়োজনীয় চাহিদা মেটে না। বিশেষ করে গরমের দিনে পানিসঙ্কট নিত্যদিনের।


কপিল আরো জানান, কিছু কিছু জায়গায় ট্যাংকি দ্বারা পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। তাছাড়া যত দ্রুত সম্ভব পানির পানি সরবরাহের খালটি মেরামত করতে সেনা প্রকৌশলীদের সাথে চেষ্টা চলছে।


ধনীক শ্রেণি বোতলজাত পানি দিয়ে মিটিয়ে নিচ্ছে প্রয়োজন কিন্তু সরকারি পনির সরবরাহ বন্ধ হওয়ায় সবচেয়ে দুর্ভোগে পড়েছে দিল্লির খেঠে খাওয়া দরিদ্ররা।


এক নিরাপত্তা কর্মকর্তা ইন্দ্রপল বলেন, ‘সামন্য পানির জন্য আমরা অনেক সময় নষ্ট করেছি। এ অস্বস্তিকর পরিস্থিতির কারণে অনেকে কাজেও বের হয়নি।’


দিল্লির জনজীবন চরম এ বিপর্যয়ের জন্য কেউ দুষছেন সরকারকে কেউবা বিক্ষোভকারীদের।


দিল্লির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় বস্তির বাসিন্দা লিলা বলেন, সরকার সমস্যা সমাধানে ব্যাপারে খুব উদাসীনতা দেখাচ্ছে।


এছাড়া দোকান ব্যবসায়ী রাম লাল বলেন, জাট সম্প্রদায় খুব খারাপ কাজ করছে। পানি সরবরাহ এভবে ধংস করে মানুষগুলোক বিপদে ফেলে বড় অন্যায়।


সূত্র: দা ওয়াশিংটন পোস্ট

 

আজাদুল ইসলাম আদনান