অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরাইলের বর্বর হামলার ২৩তম দিনে বুধবার আরও ২০ ইহুদিবাদী সেনা নিহত ও অপর ২৭ সেনা আহত হয়েছে। ইসরাইলি সেনাবাহিনী বুধবার রাতে এসব হতাহতের খবর স্বীকার করেছে। তবে, ইসরাইল তাদের ৩ সেনাসদস্য নিহত হওয়ার কথা স্বীকার করেছে।
ইহুদিবাদী বাহিনীর নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, “আজ (বুধবার) গাজা উপত্যকার ভেতরে তিন সৈন্য নিহত হয়েছে।” এ ছাড়া, ইসরাইলি সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, একটি ফিলিস্তিনি বাড়ির ভেতর ‘টানেল’ খুঁজতে গিয়ে ওই তিন সেনা নিহত হয়। বাড়িটিতে হামাসের ফাঁদ পাতা ছিল এবং ইসরাইলি সেনারা বাড়িটিতে ঢোকার পরপরই দু’টি বিস্ফোরণে তারা মারা যায়।
তবে নিজের সেনাদের মারাত্মক এ ক্ষয়ক্ষতির খবর প্রচারে রাখঢাক করতে গিয়ে পরস্পরবিরোধী খবর দিয়েছে তেল আবিব। ইসরাইলের গণমাধ্যম জানিয়েছে, একটি বাড়ির দেয়াল চাপা পড়ে তিন ইসরাইলি সেনা নিহত ও ১৫ জন আহত হয়েছে। বাকি ১২ সেনা গাজার বিভিন্ন এলাকায় আহত হয়েছে।
হামাসের সামরিক শাখা ইজ্জাদ্দিন আল-কাসসাম ব্রিগেড জানিয়েছে, দখলদার সেনারা গাজার খান ইউনিস শহরের একটি বাড়িতে হামলা চালাতে গেল তাদের পাল্টা হামলায় অন্তত ২০ ইহুদিবাদী সেনা নিহত হয়েছে।
ব্রিগেডের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, খান ইউনিসের যে বাড়িতে বুধবার ইসরাইলি সেনারা প্রবেশ করে সেখানে ১২ ব্যারেল বিস্ফোরক পাতানো ছিল। দখলদাররা ঢোকামাত্র ভয়াবহ বিস্ফোরণে বাড়িটি কেঁপে ওঠে। ফলে বাড়িটিতে প্রবেশকারী একজন ইসরাইলি সেনাও জীবিত বের হতে পারে নি।
এ নিয়ে ইসরাইলের হিসাব অনুযায়ী, গাজায় আগ্রাসন চালাতে গিয়ে তাদের ৫৬ সেনা নিহত হলো। এছাড়া, হামাসের রকেট হামলায় নিহত হয়েছে আরো তিন ইহুদিবাদী বেসামরিক নাগরিক।
অন্যদিকে হামাস বলেছে, তারা অন্তত ১৩০ ইসরাইলি সেনাকে জাহান্নামে পাঠিয়েছে। ইহুদিবাদী ইসরাইলের ইতিহাসে ২০০৬ সালে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে ৩৩ দিনের যুদ্ধ ছাড়া এত বেশি সংখ্যক সেনা আর নিহত হয়নি। (সূত্র:আইআরআইবি)
ঢাকা, ৩১ জুলাই, টাইমনিউজবিডি.কম, কেবি





