পাকিস্তানের কোয়েটায় ছয় বছর বয়সী একটি মেয়েকে ধর্ষণের প্রচেষ্টার পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়।হত্যার পর একটি ডাস্টবিনে তার লাশ পাওয়া যায়।ঠিক কি কারনে হত্যা করা হয়েছে তার তদন্ত করেছে বেলুচিস্তান পুলিশ।
গত মঙ্গলবার বেলুচিস্তান এর দক্ষিণ-পশ্চিম প্রদেশের রাজধানী কোয়েটায় এ ঘটনা ঘটে এবং বুধবার মেয়েটির লাশ পাওয়া যায়। মেয়েটি সংখ্যালঘু জাতি হাজারার অন্তর্গত।
হাজারাদের বেশিরভাগ শিয়া মুসলমান এবং সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেলুচিস্তানে সুন্নি মুসলিম চরমপন্থী গ্রুপ দ্বারা সংঘটিত সাম্প্রদায়িক সহিংসতার মোটামুটি সবধরনের ধকল বহন করেছে তারা।
পুলিশের মহাপরিদর্শকআমলাসখান বলেন, "এটি একটি জঘন্য অপরাধ হয় এবং পুলিশ তার সমাধানের প্রচেষ্টায় সব ধরনের চেষ্ট করছে।"
কিছু সম্ভাব্য সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
কোয়েটা শহরের পুলিশ প্রধান আব্দুর রাজ্জাক চিমা বলেন,"ধর্ষণের শিকার মেয়েটির বাবা একজন মালি, মেয়েটিকে একটি দড়ি দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা কর হয়।তার বাড়ির নিকট একটি ময়লার ডাম্পের কাছাকাছি লাশ পাওয়া যায়।"
তিনি আরো বলেন, "মেয়েটির শরীরের অনেক আচড়েঁর চিহ্ন ছিল যাতে বুঝা যায় মেয়েটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছিল।"
"মেয়েটির মা বলেন, "আমাদের কারো সাথে কোনো ধরনের শত্রুতা নেই।"
আরো বলেন, দিনের বেলা আমার মেয়ে ময়লা ফেলার জন্য বাড়ির বাইরে যায় কিন্তু আর ফিরে আসে না। তাই আমি বাইরে অনেকক্ষণ খোজাখুজি করেও পাইনি।
পরে আমাদের প্রতিবেশী এসে বলে আপনার মেয়ের লাশ ডাস্টবিনের পাশে পরে আছে।তৎক্ষনাত আমরা যেয়ে দেখি আমার মেয়ের নাক-মুখ দিয়ে রক্ত বের হচ্ছে আর গলায় একটি রশি।
মেয়েটির বাবা বলেন,"আমার মেয়েকে যারা মেরেছে তারা জানোয়ার, তাদের বিচারের সম্মুখীন করতে হবে।"সূত্র: ডন
ইআর





