ভারতের ১৭তম লোকসভা নির্বাচনে পরাজয় মেনে নিয়ে নরেন্দ্র মোদি ও বিজেপিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী।
তিনি বলেছেন, আজ যা ঘটেছে তা হল জনগণ নরেন্দ্র মোদিকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বেছে নিয়েছে। তাদের এই সিদ্ধান্তকে আমি সম্মান জানাই।
নির্বাচনী ফলাফল পরবর্তী দলীয় অবস্থান জানাতে আজ (২৩ মে) বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে সংবাদ সম্মেলন ডাকেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে এই হার মেনে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বিজেপিকে শুভেচ্ছা জানান কংগ্রেস সভাপতি।
রাহুল গান্ধী নির্বাচনী প্রচারণার সময় বলেছিলেন, জনগণ যে সিদ্ধান্ত দেবে আমি তার প্রতি সম্মান দেখাব। শেষ পর্যন্ত জনগণ তাদের রায় জানিয়ে দিয়েছেন। এই জন্য বিজেপি ও প্রধানমন্ত্রীকে আমার অভিনন্দন। তবে আমাদের প্রার্থীরা সর্বান্তকরণে নির্বাচনী লড়াই চালিয়ে গেছেন।
রাহুল গান্ধী বলেন, নির্বাচনী রায় নিয়ে কথা বলার দিন আজ নয়। আজ আমরা শুধু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে অভিনন্দন জানাতে চাই। স্মৃতি ইরানিকে ভোট দেয়ার বিষয়ে আমি আমেথির মানুষের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। আমেথির মানুষের পক্ষে কাজ করার জন্য আমি তার প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।
এসময় নিজ দলীয় কর্মীদের নির্ভয় দিয়ে বলেন, আমি কংগ্রেসের সদস্য ও যারা আমাদের আদর্শে বিশ্বাস করেন তাদেরকে বলতে চাই যে আপনাদের ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই।
উল্লেখ্য, ভারতের ১৭তম লোকসভার ৫৪২টি আসনের সব কটি আসনের গণনার চিত্র তুলে ধরে এনডিটিভি বলেছে, ৩৪০টি আসনে এগিয়ে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট। আর এখানে বিজেপি একাই ২৭৫টি আসনে এগিয়ে আছে। ২০১৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে বিজেপি ২৮২টি আসনে জয় পায়, এবং লোকসভার ৫৪৩টি আসনের মধ্যে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট ৩৩৬টি আসন পেয়েছিল।
এছাড়া এবারের নির্বাচনে বিরোধী কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ জোট ৯৩ আসনে এগিয়ে। অন্য বিরোধী দলগুলো এগিয়ে আছে ১০৯ আসনে। কংগ্রেস ভোট লড়াইয়ে পিছিয়ে থাকলেও আগেরবারের চেয়ে ৪১টি আসনে এগিয়ে আছে।
এদিকে টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবর অনুযায়ী, ৫৪৩টি আসনের মধ্যে সরকার গঠনের জন্য ২৭২ আসন প্রয়োজন হলেও এনডিএ ৩৩৯টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। এরমধ্যে কেবল বিজেপিই এগিয়ে ২৯৫টি আসনে।
এছাড়া আনন্দবাজারের প্রতিবেদনের ফলে একটু পরিবর্তন দেখিয়ে তৃণমূল ২২ আসন, বিজেপি ১৯ এবং কংগ্রেস ১ আসনের কথা বলা হয়।
এমবি





