হাইতিতে হারিকেন ম্যাথিউয়ের আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৭৭ জনে। দেশটির আক্রান্ত অঞ্চলের ৯০ ভাগই ধ্বংস হয়ে গেছে এ ঘূর্ণিঝড়ের তান্ডবে। তবে ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ চিত্র পেতে আরও কয়েক দিন লাগতে পারে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।
অন্যদিকে একই ঘূর্ণিঝড়ে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার ১২ লাখ মানুষ বিদ্যুৎ বিচ্ছন্ন হয়ে পড়েছেন। মারা গেছেন চারজন। গতকাল এ খবর দেয় আলজাজিরা ও রয়টার্স।
হাইতির ব্যাপারে আলজাজিরায় বলা হয়, উদ্ধার কর্মীরা আরও দক্ষিণের এলাকাগুলোতে প্রবেশ করতে পারলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ঝড়ের কারণে দক্ষিণাঞ্চলের এলাকাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।
ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রামের কার্লোস ভেলোসো জানিয়েছে, আকাশ বা সমুদ্রপথ ছাড়া ঝড়ে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে পৌঁছানো সম্ভব নয়।
গত মঙ্গলবার ঘূর্ণিঝড়টি ঘণ্টায় ২৩০ কিলোমিটার বাতাসের বেগ নিয়ে কিউবা ও হাইতির ওপর দিয়ে বয়ে যায়। গমনপথে প্রচন্ড বৃষ্টিপাতে ওই অঞ্চলের শহরগুলো ভাসিয়ে দিয়ে যায়। হাইতি বিশ্বের অন্যতম দরিদ্র দেশ।
এখানকার হতদরিদ্র মানুষ এখনো ২০১০ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্পের ক্ষতি ও কলেরার প্রাদুর্ভাব কাটিয়ে উঠতে পারেনি। ওই ভূমিকম্পে দুই লাখের বেশি মানুষ মারা গিয়েছিলেন।
এমএনজে





