গণভোটে লন্ডনবাসী বেক্সিট প্রত্যাখ্যান করলেও সার্বিক ভোটে যুক্তরাজ্যে ব্রেক্সিটপন্থীদের জয়ের পর লন্ডনের ‘স্বাধীনতা ঘোষণার’ জন্য শহরটির প্রথম মুসলিম মেয়র সাদিক খানের ওপর চাপ বাড়ছে।

লন্ডনের স্বাধীনতা ঘোষণা করে ইউরোপীয় ইউনিয়নে থাকার জন্য মেয়র সাদিক খানের নিকট করা একটি আবেদনে অন্তত ৬৫,০০০ লোক স্বাক্ষর করেছেন।

টুইটারে একটি হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করেও লন্ডনের স্বাধীনতা পক্ষে প্রচারণা চলছে।

লন্ডনের প্রায় ৬০ ভাগ মানুষ ইইউতে থাকা তথা রিমেইনের পক্ষে ভোট দিয়েছেন। যদিও সারাদেশের রিমেইনের পক্ষে ভোট পড়েছে ৪৮ ভাগ।

সাদিক খান এ আবেদন গুরুত্বের সাথে নিবেন বলে মনে হচ্ছে না। তবে এক বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, ইইউতেই লন্ডন অধিকতর ভালো ছিল বলে তার বিশ্বাস।

লন্ডনের অভিবাসীদের প্রতিও তিনি সমর্থনের জোরালো বার্তা দিয়েছেন।

‘লন্ডনে বসবাসরত ১০ লাখ ইউরোপীয় কাছে আমার বিশেষ বার্তা হলো তারা আমাদের শহরের জন্য বিপুল অবদান রাখছেন- কঠোর পরিশ্রম, কর প্রদান এবং আমাদের নাগরিক ও সাংস্কৃতিক জীবনে অবদান রাখছে। আপনারা এখানে স্বাগত,’ বলেছেন সাদিক খান।

‘আপনারা আমাদের শহরের জন্য যে বিশাল অবদান রাখছেন তাকে আমরা মূল্য দেই এবং গণভোটের ফলে তাতে কোনো পরিবর্তন আসবে না। ’

এদিকে স্কটল্যান্ডের অবস্থাও লন্ডনের মত। এখানেই দুই তৃতীয়াংশ ভোটার ইইউতে থাকার পক্ষে মত দিয়েছেন।

স্কটল্যান্ডের নেত্রী নিকোলা স্টারজেন বলেছেন, তিনি কয়েক মাসের মধ্যেই স্কটল্যান্ডের স্বাধীনতার পক্ষে গণভোটের আয়োজন করতে পারেন।

তিনি আরো জানান, এ ব্যাপারে মেয়র সাদিক খানের সাথেও তার কথা হয়েছে। কারণ ‘আমাদের উভয়ের মধ্যে স্পষ্টত অভিন্ন কারণ বিদ্যমান।’


সূত্র: ডেইলি মেইল