মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এক আদালতে ব্রিটেনের প্রিন্স এন্ড্রুর বিরুদ্ধে এক অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়ের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কের অভিযোগ উঠেছে। প্রিন্স এন্ড্রুর এক সাবেক বন্ধু, মার্কিন বিনিয়োগকারী জেফরি এপস্টেইনের বিরুদ্ধে করা এক মামলার কাগজপত্রে প্রিন্স এন্ড্রুর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ করা হয়েছে। জেফরি এপস্টেইন ইতোমধ্যে যৌন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন।
ঘটনাটি এরকম : আমেরিকায় প্রিন্স অ্যান্ড্রুর (৫৪) এক ধনী বন্ধু রয়েছেন। যাকে বলে মাল্টি-মিলিয়নিয়ার। নাম জেফ্রি এপস্টেইন। তিনিই মামলার মূল অভিযুক্ত। এক নারী দাবি করেছেন, নাবালিকা অবস্থায় (১৭ বছর বয়সে) তাকে যৌন ক্রীতদাসী (সেক্স স্লেভ) বানিয়ে রেখেছিলেন জেফ্রি। ওই নারীর নাম প্রকাশ করা হয়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে তার বর্তমান বয়স ৩০ বছর।
অভিযোগে বলা হয়েছে, আমেরিকায় এসে এই ধনকুবেরের বাড়িতে থাকাকালীন ওই নারীকে বারবার সম্ভোগ করেছেন যুবরাজ অ্যান্ড্রু, ডিউক অব ইয়র্ক। এবং জেফ্রি তাকে এমনটা করতে বাধ্য করেছিলেন। আরো অনেকের সাথে তাকে সম্পর্ক স্থাপন করতে বাধ্য করা হয়েছিল বলেও ওই নারী দাবি করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের সম্মতির ন্যূনতম বয়স হচ্ছে ১৮।
রবার্ট ম্যাক্সওয়েল নামের এক বিকৃত রুচির ধনী ব্যক্তির মেয়ে গিসলিন ম্যাক্সওয়েল এই কাজে মধ্যস্ততা করেছেন বলেও অভিযোগ ওঠেছে।
যদিও অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন অ্যান্ড্রু। ইংল্যান্ডের রাজপরিবারের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, অ্যান্ড্রু এ ক্ষেত্রে জড়িত নন। এটা আমেরিকার একটি দীর্ঘকাল ধরে চলা মামলা, যাতে তাকে জড়ানো হয়েছে। নাবালিকাদের সেক্স স্লেভ বানিয়ে ভোগ করার জন্য এপস্টেইন প্রায় এক দশক আগেই এফবিআইয়ের সন্দেহের তালিকায় ছিল। পরে একটি ক্ষেত্রে অভিযোগ স্বীকার করে নেয়ায় তার জেলও হয়। তবে ইংল্যান্ডের রাজপরিবারের নাম উঠে আসায় মামলাটি নতুন মোড় নিল।
মামলার কার্যক্রমে দেখা যায়, প্রিন্স অ্যান্ড্রুর বন্ধু জেফ্রি এপস্টেইনের সাথে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জারের মতো প্রভাবশালী লোকের সাথে তার যোগাযোগ রয়েছে।
ইআর





