রাশিয়ার প্রখ্যাত সাংবাদিক দিমিত্রি কিসলিয়ভ বলেছেন, আমেরিকাকে যেকোনো মুহূর্তে রেডিওঅ্যাকটিভ ছাইয়ে পরিণত করতে পারে রাশিয়া। ইউক্রেন সংকট নিয়ে যখন ওয়াশিংটন ও মস্কোর মধ্যে তীব্র টানাপড়েন চলছে তখন এ সতর্কবাণী উচ্চারণ করলেন তিনি।
রোসিয়া-১ টেলিভিশন চ্যানেলের উপস্থাপক কিসলিয়ভ সোমবার তথ্য-প্রমাণ তুলে ধরে বলেন, “রাশিয়া হচ্ছে পৃথিবীর একমাত্র দেশ যে কিনা সত্যিকার অর্থেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে রেডিওঅ্যাকটিভ ভস্মে পরিণত করতে পারে।”
যুক্তরাষ্ট্রের জনগণই পুতিনকে ওবামার চেয়ে শক্তিমান নেতা বলে মনে করে উল্লেখ করে এই রুশ সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, “(মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক) ওবামা কেন বারবার (রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির) পুতিনকে ফোন করে ঘন্টার পর ঘন্টা কথা বলেন?”
ইউক্রেনের স্বশাসিত প্রজাতন্ত্র ক্রিমিয়ার পক্ষ থেকে সোমবার স্বাধীনতা ঘোষণা এবং রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ক্রিমিয়াকে ‘স্বাধীন ও সার্বভৌম’ রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার পর রুশ-মার্কিন দ্বন্দ্ব চরমে পৌঁছেছে। সোমবারই যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার বেশ কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এ অবস্থায় রাশিয়ার একজন সাংবাদিকের পক্ষ থেকে আমেরিকাকে ছাইয়ে পরিণত করার হুমকি এল।
কিসলিয়ভ বলেন, রাশিয়ার পরমাণু অস্ত্রভাণ্ডার নিয়ে ওবামা অত্যন্ত উদ্বিগ্ন, বিশেষ করে ‘পেরিমিটার’ নামে পরিচিত রাশিয়ার ডেড হ্যান্ড সিস্টেমকে মারাত্মক ভয় পায় আমেরিকা। শীতল যুদ্ধের সময় মস্কো এ ব্যবস্থা চালু রেখেছিল। রুশ সাংবাদিক বলেন, “এমনকি শত্রুর আক্রমণের পর যদি আমাদের সব কমান্ড পোস্টের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব না-ও হয় তাহলেও এই সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরমাণু অস্ত্রবাহী ক্ষেপণাস্ত্রগুলোকে নির্ধারিত লক্ষ্যপানে নিক্ষেপ করবে।” সূত্র: আইআরআইবি
[b]ঢাকা, ১৮মার্চ (টাইমনিউজবিডিডটকম) // টিআই
[/b]
‘গোটা আমেরিকাকে নিমিষেই ছাই করে দিতে পারে রাশিয়া’
রাশিয়ার প্রখ্যাত সাংবাদিক দিমিত্রি কিসলিয়ভ বলেছেন, আমেরিকাকে যেকোনো মুহূর্তে রেডিওঅ্যাকটিভ ছাইয়ে পরিণত করতে পারে রাশিয়া। ইউক্রেন সংকট নিয়ে যখন ওয়াশিংটন ও মস্কোর মধ্যে তীব্র টানাপড়েন চলছে তখন এ সতর্কবাণী উচ্চারণ করলেন তিনি।
দ্য গার্ডিয়ান হরমুজ প্রণালিকে ‘আমেরিকার ভূখণ্ড’ মনে করেন ট্রাম্প
হরমুজ প্রণালিকে ‘আমেরিকার ভূখণ্ড’ হিসেবে দেখেন বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ভারত-আমেরিকা কারও আধিপত্য মেনে নেব না : নাহিদ ইসলাম
জাতীয় নাগরিক কমিটির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য। এবার আমরা দুটি ভোট দিয়েছি, কিন্তু এখনো গণভোটের রায় বাস্তবায়িত হয়নি। আপনারা যারা প্রথমবার হ্যাঁ ভোট দিয়েছেন, আপনাদের এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। গণঅভ্যুত্থান হয়েছে সীমান্ত সুরক্ষা, স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি ও নদীর পানির ন্যায্য হিস্যার জন্য। আমরা কারোরই আধিপত্য মেনে নেব না—ভারতেরও না, আমেরিকারও না।
হরমুজ প্রণালি আমেরিকার খেলার মাঠ নয়: ইরানি সামরিক বাহিনী
ইরানের সামরিক সদর দপ্তর সতর্ক করেছে যে, সব বাণিজ্যিক জাহাজকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদে যাতায়াতের জন্য ইরানের নির্ধারিত সামুদ্রিক পথ ব্যবহার করতে হবে। অন্যথায় পরিণতি ভোগ করতে হবে। আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আমেরিকা-ইরান চুক্তি: মধ্যস্থতা করে বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত পাকিস্তান
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে তিন মাস ধরে চলা সংঘাতের অবসান, হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্তকরণ এবং ধুঁকতে থাকা বিশ্ব অর্থনীতিতে স্বস্তি ফেরাতে একটি যুগান্তকারী চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এ সমঝোতায় পৌঁছানোর ক্ষেত্রে পাকিস্তানের বলিষ্ঠ মধ্যস্থতা সোমবার বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। বিশ্বনেতারা এ ঐতিহাসিক উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন।
যেভাবে ধনী হচ্ছেন আমেরিকার অনেক মানুষ
১৯৯৪ সালে গ্রেগ ফ্লিন যখন বিখ্যাত স্ট্যানফোর্ড বিজনেস স্কুল থেকে পড়াশোনা শেষ করেন, তখন আমেরিকায় ‘ডটকম’ বা ইন্টারনেট বিপ্লবের জয়জয়কার। তার সহপাঠীরা সবাই বড় বড় করপোরেট সংস্থায় যোগ দিয়ে রাতারাতি কাগজে-কলমে ‘মিলিয়নিয়ার’ বনে যাচ্ছিলেন। কিন্তু ফ্লিন হাঁটলেন ভিন্ন পথে। এক বন্ধুর রেস্তোরাঁ ব্যবসায় সাহায্য করতে যোগ দিলেন তিনি। এর কয়েক বছর পর আমেরিকার ফ্র্যাঞ্চাইজি ব্যবস্থার দারুণ অর্থায়নের সুযোগ কাজে লাগিয়ে ফ্লিন নিজেই আটটি ‘অ্যাপলবিস’ রেস্তোরাঁ কিনে নেন।
















