ইউরোপের বড় অর্থনীতির এই দেশটির আর্থিক স্থিরাবস্থা ইতিমধ্যে দুর্বল হয়ে পড়েছে। স্থবির হয়ে পড়া অভাগা সরকার যদি আগামী এক মাসের মধ্যে ঠিক হতে না পারে তবে দেশটির অর্থনীতি চাঙ্গা রাখতে বড় ধরনের অ্যাকশনে যেতে হবে।
দেশটিতে বর্তমানে কোনো টেকসই সরকার বিদ্যমান নেই। আগামী নতুন নির্বাচন দেশটির বিগত সেপ্টেম্বর মাসের মীমাংসাহীন বিষয়ে মীমাংসার পথ বলে ধরা হচ্ছে।
বিগত নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দল এক সংখ্যা গরিষ্ঠতা না থাকায় চ্যান্সেলর মার্কেলের টিকে থাকার জন্য কোয়ালিশন অপরিহার্য।
এক মাস আলোচনার পর ব্যবসায়ীদের সমর্থিত রাজনৈতিক দল এফডিএফ নেতা ক্রিস্টিয়ান লিন্ডার আলোচনা ত্যাগ করেন এই বলে যে, মার্কেলের কনজারভেটিভ দল ও তার সহযোগী সিডিইউ-সিএসইউ এবং পরিবেশবিদ গ্রীন কোয়ালিশনকে ‘বিশ্বাস ও আস্থায় আনা সম্ভব নয়।
’লিন্ডার বলেন, ‘কু-শাসন করার চেয়ে শাসন না করার পদক্ষেপ উত্তম।’ সেই সঙ্গে আধুনিক জার্মানির ধারণার সঙ্গে একমত নন তারা।
এমএ