ব্যাপক বিতর্কের মধ্যে দিয়ে বাহরাইনে চলছে ভোটগ্রহণ। ২০১১ সালে আরব বসন্তের দোলা লাগার পর দেশটিতে এই প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তবে, নির্বাচন বয়কট করেছেন সংখ্যাগরিষ্ঠ শিয়া ধর্মাবলম্বীরা। খবর আল জাজিরার।
পারস্য উপসাগরীয় আরব দেশ বাহরাইন। ছোট্ট এ দেশটির ভোটার সংখ্যা মাত্র সাড়ে তিন লাখ। দেশটির জনসংখ্যার ৭০ শতাংশ শিয়া মতাবলম্বী হলেও শাসনক্ষমতায় রয়েছে সুন্নীরা। দেশটিতে রাজতন্ত্র প্রচলিত। আর রাজতন্ত্রের ক্ষমতা হচ্ছে সুন্নীদের দখলে।
রাজতন্ত্রের বিরোধী শিয়ারা বলছেন, ক্ষমতা কুক্ষিগত রেখেই নির্বাচন আয়োজন করেছে বাহরাইনের বাদশাহ। এর ফলে দেশটিতে অসন্তোষ ও সহিংসতা বৃদ্ধি পাবে বলেও তারা জানান। সরকারবিরোধী শিয়াদের প্রধান দল হচ্ছে আল-ওয়েফাক।
তবে, সরকার পক্ষ বলছে, বিশৃঙ্খলা, অসন্তোষ, সহিংসতা ও বহির্বিশ্বের হস্তক্ষেপ সহ্য করা হবে না। দেশটির তথ্যমন্ত্রী সামিরা রজব এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। বহির্বিশ্বের হস্তক্ষেপ বলতে মূলত শিয়া শাসিত ইরানকে ইঙ্গিত করা হয়েছে।
শনিবারের নির্বাচনে মূলত ৪০ জন ডেপুটি নির্বাচিত করা হবে। তবে, ২৬৬ জন প্রার্থীর বেশিরভাগই সু্ন্নী মতাবলম্বীর।
এদিকে, নির্বাচনের বিরুদ্ধে রাজধানী মানামার বাইরে শিয়া প্রধান একটি গ্রামে বিক্ষোভ হয়েছে। সেখানে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করেছে পুলিশ।
এমএ





