"এরইমধ্যে বাণিজ্যিকভাবে গর্ভধারণ নিয়ে উচ্চপর্যায়ে বিতর্কের ঝড় শুরু হয়েছে। খুব শিঘ্রই এটা নিষিদ্ধ হতে পারে", বলছিলেন থাইল্যান্ডের এক উর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা।
দেশটির জনস্বাস্থ্য ও আইন মন্ত্রণালয়ের প্রধান চেটরি পিনেই বলেন, এ আইনের একটা খসড়া জাতীয় আইন পরিষদে কাছে পেশ করা হয়েছে। বছরের শেষ দিকে এটা কার্যকর হতে পারে।
থাইল্যান্ডে গর্ভ ভাড়া নেয় এমন একজন মা পেটারামো চানবুয়া অভিযোগ করেন, অস্ট্রেলিয়ান এক দম্পতি তাদের এক ছেলে সন্তানকে নিতে চাচ্ছে না কারণ গর্ভাবস্থায় তার ভেতর অসুস্থ্যতার লক্ষণ দেখা গেছে।
কিন্তু ছেলেটির দুই বোনকে নিয়ে যাওয়া ওই দম্পতি এই অভিযোগ অস্বীকার করছেন। তারা বলছেন, আমরা বাচ্চাটিকে নিয়ে যেতে চেয়েছি কিন্তু চানবুয়া তাকে দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।
এদিকে চানবুয়া বলছে, গর্ভাবস্থায় তাদের কাছে আমি যখন বাচ্চার অবস্থার কথা বলি তখন তারা আমাকে গর্ভপাত করতে বলে। অমি বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী হওয়ায় এটা করিনি।
অস্ট্রেলিয়ার বৈদেশিক এবং বাণিজ্য বিষয়ক বিভাগ বলছে, বাণিজ্যিকভাবে গর্ভ ভাড়ার যে আইনগত দিক সে সম্পর্কে এখন পর্যন্ত থাইল্যান্ড পরিষ্কার নয়। আমাদের ধারণা অস্ট্রেলিয়ার ১০০ দম্পতি রয়েছেন যারা থাইল্যান্ডের কাছ থেকে সন্তানের জন্য অপেক্ষা করেছেন।
বিবিসি'র ব্যাংকক ব্যুরোর প্রধান জনাথন জানিয়েছেন, পশ্চিমাদের জন্য গর্ভ ভাড়া নেয় এমন মা খোঁজার জন্য থাইল্যান্ড একটা সুবিধাজনক স্থানে পরিণত হয়েছে।
লাভের আশায় একজন মহিলা আরেকজন মহিলার জন্য সন্তান জন্ম দেয়ার যে ব্যবস্থা সেটা জার্মানি এবং ফ্রান্সসহ বিভিন্ন দেশে ইতোমধ্যে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
ঢাকা, ১৯ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, কেএইচ





