পাপুয়া নিউগিনির দক্ষিণাঞ্চলীয় পার্বত্য এলাকায় ৬ দশমিক ৭ মাত্রার একটি ভূমিকম্পে অন্তত ১৮ জন নিহত হয়েছেন।
এ নিয়ে গত এক সপ্তাহে দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের আঘাতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৭৩ জনে।
এর আগে গত সোমবার রাজধানী পোর্ট মরসবির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। এ সময় ঘরবাড়িসহ অনেক অবকাঠামো ভেঙে পড়ে এবং ভূমিধসের সৃষ্টি হয়। এতে কমপক্ষে ৫৫ জন নিহত হন।
হেলা প্রদেশের প্রশাসক উইলিয়ম বান্ডো বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানান, গতকাল রাতে ১৮ জন নিহত হওয়ার খবর পেয়েছেন তিনি। গ্রামটিতে অনেক মানুষ বসবাস করে। তবে এখনো হতাহতদের সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি।
পাপুয়া নিউগিনির জাতীয় দুর্যোগ কেন্দ্রের একজন মুখপাত্র জানান, কর্তৃপক্ষ এখনো ক্ষয়ক্ষতির কোনো চূড়ান্ত প্রতিবেদন তৈরি করতে পারেনি।
ভূমিকম্পকবলিত হেলা প্রদেশের রাজধানী টেরি থেকে ইউনাইটেড চার্চ প্রকল্পের কর্মকর্তা জেমস কমঙ্গি জানান, ভূমিকম্পের ফলে এ প্রদেশে ৬৭ জনের বেশি মানুষ মারা গেছে। এখনো জনগণের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
ভূমিকম্পের পর এলাকাটির পানির প্রধান উৎস প্লাবিত হয়ে নোংরা হয়ে গেছে। ফলে বিশুদ্ধ খাবার পানির চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। রাস্তাগুলো ভেঙে যাওয়ায় সাহায্যকারী দল দুর্যোগকবলিত এলাকায় পৌঁছাতে বিভিন্ন বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন।
পাপুয়া নিউগিনির আন্তর্জাতিক রেড ক্রসের পরিচালক উদয় রেগমি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, ভারি বৃষ্টিপাত হলে অঞ্চলটির পরিস্থিতি আরো খারাপ হতে পারে।
রেড ক্রসের একটি প্রাথমিক মূল্যায়ন তালিকায় বলা হয়, ভূমিকম্পে প্রায় ১৭ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে এবং ৫০০ জন আহত হয়েছেন। এতে প্রায় এক লাখ ৪৩ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে।
এএস





