মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রী জন কেরি বলেছেন, ইরাকে সুন্নী বিদ্রোহীদের অগ্রযাত্রা থামাতে কুর্দী নেতাদের সাহায্য জরুরী। জন কেরি মঙ্গলবার উত্তর ইরাকের ইরবিল শহরে কুর্দী নেতাদের সাথে বর্তমান ইরাক সঙ্কট নিয়ে কথাবার্তা বলেছেন।

সুন্নি বিদ্রোহীদের দমনে কুর্দী বাহিনীর সহযোগিতা চেয়ে জন কেরি বলেন, ইরাকে বিদ্রোহীদের হাতে চলে যাওয়া সব এলাকা পুনরুদ্ধারের জন্যে যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্র দেশগুলো একসাথে কাজ করবে।

ইসলামপন্থী বিদ্রোহীরা উত্তর ও পশ্চিম ইরাকের বেশ কয়েকটি শহরের দখল নেওয়ার পর মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রী এখন ইরাক সফর করছেন।

ইরবিলে জন কেরির এই সফরের কথা আগে ঘোষণা করা হয়নি।

তার সঙ্গে এই সফরে রয়েছেন বিবিসির কিম ঘাত্তাস। তিনি জানান, ইরাকের নেতারা যেন এক হয়ে সবাইকে নিয়ে একটি নতুন সরকার গঠন করেন - এই বিষয়টির ওপর কেরি বিশেষ করে জোর দেন।

তার মতে, ইরাকের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা জন্য এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপায়। সুন্নি গোষ্ঠী আইসিসের যোদ্ধারা যে ইরাকের অনেক অংশ দখল করে নিয়েছে - এটাকে ইরাকের নতুন বাস্তবতা বলে মেনে নিতে রাজী নন কেরি।

তার কথা হলো ইরাক এবং তার মিত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এসব দখল করা ভূমি ফিরে পেতে চেষ্টা চালিয়ে যাবে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ব্যবস্থা নেবার সম্ভাবনা সম্পর্কে কেরি বলেন, রাজনৈতিক সমাধান হবার আগে বিমান আক্রমণ চালানো কোন দীর্ঘমেয়াদি কৌশল হতে পারে না।

তবে তিনি এই ইঙ্গিত দিয়েছেন যে , আশু কোন হুমকি দেখা দিলে অবশ্য নতুন সরকার গঠনের আগেও যুক্তরাষ্ট্র পদক্ষেপ নিতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী নূরি আল মালিকির কোয়ালিশনের একজন শিয়া নেতা বলছেন, তারা বিদ্রোহীদের মোকাবেলায় গোয়েন্দা তথ্য, এবং ড্রোন বিমান সহায়তা চান, কিন্তু মার্কিন সেনারা আসুক তা চান না।

অন্যদিকে ইরাকের বানজি তেলশোধনাগার নিয়ন্ত্রণের লড়াই এখনো চলছে, তবে অসমর্থিত খবরে জানা গেছে যে সেখানকার ১৬০ জন সরকারি সৈন্য অস্ত্র সমর্পণ করতে রাজি হবার পর সুন্নি বিদ্রোহীরা শোধনাগারটি পুরোপুরিই দখল করে নিয়েছে।

এ ছাড়া দুবাইভিত্তিক আল আরাবিয়া টিভি বলছে, ইরাকি সীমান্ত শহর আল কাইমের ওপর সিরিয়ার সরকারি সৈন্যরা বিমান হামলা চালালে সেখানে ১৪ জন নিহত হয়েছে। সূত্র: বিবিসি বাংলা

ঢাকা, ২৪ জুন (টাইমনিউজবিডি.কম) //এমএ