মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে চায় প্রভাবশালী আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়।

বুধবার (০৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জাপান ও কানাডার পাঁচ শীর্ষ কূটনীতিক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে মিয়ানমারের পরিস্থিতি নিয়ে আলাপকালে এই কথা বলেন।

একই সঙ্গে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া জোরদার করতে বাংলাদেশকে ভারত ও চীনের সহযোগিতা নেওয়ার কথাও বলেন। যুক্তি হিসেবে তাঁরা বলেন, সবাই মিলে মিয়ানমারের ওপর চাপ সৃষ্টি করলে বিষয়টি সহজ হবে।

এই পাঁচ শীর্ষ কূটনীতিক হলেন- মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার, ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদলের প্রধান রেনসজে তিরিংক, জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি, ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটারটন ও কানাডার হাইকমিশনার বেনোইত প্রিফন্টেইন।

এর আগে গত ১৪ ডিসেম্বর বলপ্রয়োগে বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের সমন্বয়, ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা-সম্পর্কিত জাতীয় কমিটি গঠন করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। ১৭ সদস্যের এই কমিটির আহ্বায়ক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। কমিটির প্রধান হিসেবেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন এই পাঁচ কূটনীতিক।

বৈঠকের বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন, “ভাসানচরে স্থানান্তরের বিষয়ে তাঁরা কিছুটা চিন্তিত বলে মনে হয়েছে। আমরা বলেছি, ভাসানচরে কাউকে জোর করে নিয়ে যাচ্ছি না। এই পাঁচ দেশ রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তরের বিষয়ে পারস্পরিক সহযোগিতা করতে চায় বলেও জানিয়েছে।”

“আমরা বলেছি, ভাসানচরে ১৫ ফুট উঁচু বেড়িবাঁধ দিয়েছি, সাইক্লোন শেল্টার, রাস্তাঘাট করে দিয়েছি। যে কেউ ইচ্ছা করলে যেতে পারবে। আমি তাঁদের আমন্ত্রণ জানিয়েছি ভাসানচরে যাওয়ার। বলেছি আপনারা ঘুরে দেখে এলে আর শঙ্কা থাকবে না। এছাড়া রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের ব্যাপারে তাঁরা সহযোগিতা করবেন বলে জানিয়েছেন। তাঁরা বলেছেন, আমরা যেন জাতিসংঘের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাই।”

এমবি