বিজ্ঞান বিষয়ক লেখক ও মুক্তমনা ব্লগের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ রায়কে হত্যার দায় স্বীকার করেছে আল কায়েদা।
যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড ভিত্তিক সাইট ইন্টেলিজেন্স গ্রুপ এক প্রতিবেদনে রবিবার এ তথ্য দিয়েছে।
বিশ্বের চরমপন্থী সংগঠনগুলোর অনলাইন কার্যকলাপ পর্যবেক্ষণকারী ওই ওয়েবসাইটটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে- আল কায়েদার ভারতীয় উপমহাদেশীয় শাখার নেতা অসিম উমর বাংলাদেশে মার্কিন নাগরিক অভিজিৎ রায় হত্যার দায় স্বীকার করেছেন। শনিবার এক ভিডিও বার্তায় তিনি এ দায় স্বীকার করেন।
ধর্মীয় অনুশাসন লঙ্ঘন এবং ধর্মবিদ্বেষী বিশেষ করে ইসলাম ধর্মকে কটাক্ষ করে একের পর এক বিষোদগার করায় বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে এ ধরনের হত্যার দায়ও স্বীকার করেছেন অসিম উমর। তবে বাংলাদেশে জঙ্গি দমনে নিযুক্ত র্যাব ওই দাবির সত্যতা নিশ্চিত করতে পারেনি।
ব্লগার অভিজিৎ, আহমেদ রাজীব হায়দার ও ওয়াশিকুর রহমান হত্যার পেছনে আল-কায়েদার হাত রয়েছে- আপনাদের কাছে এ ব্যাপারে কোনো তথ্য আছে কি-না, এমন প্রশ্নের জবাবে র্যাবের মুখপা্ত্র মুফতি মোহাম্মদ বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘আমরা নিশ্চিত নয়।’
প্রায় এক দশক আগে ২০০৪ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি একইভাবে বইমেলা থেকে ফেরার পথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছিলেন লেখক হুমায়ুন আজাদ। আর গতকাল ২৬ ফেব্রুয়ারি খুন হলেন অভিজিৎ রায়। এর আগে ২০১৩ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর মিরপুরে একই কায়দায় খুন হন ব্লগার আহমেদ রাজীব হায়দার।
সবশেষ রাজধানীর তেজগাঁওয়ের বেগুনবাড়ি এলাকায় ওয়াশিকুর রহমানকে (২৭) কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে জিকরুল্লাহ ও আরিফুল ইসলাম নামে দুজনকে আটক করেছে পুলিশ।
গত, ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় একুশে গ্রন্থমেলায় এক বিজ্ঞান আড্ডা শেষে ফেরার পথে টিএসসির সামনে সশস্ত্র হামলার শিকার হন অভিজিৎ রায় ও তার স্ত্রী রাফিয়া আহমেদ বন্যা।
পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকরা অভিজিৎকে মৃত ঘোষণা করেন।
কেবি





