ভারতের দিল্লিতে দূষণে প্রাণ ওষ্ঠাগত। সহ্যের সীমা ছাড়িয়েছে। তাই ৪০ শতাংশ বাসিন্দা চাইছেন দিল্লি এবং এনসিআর স্থায়ীভাবে ছেড়ে দিতে। ১৬ শতাংশ বাসিন্দা চাইছেন অন্তত এই জরুরি অবস্থায় শহরের বাইরে থাকতে।
বায়ুদূষণ অতি বিপজ্জনক মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। ভয়ানক এ ধুলোকে সিগারেটের চেয়েও ক্ষতিকর বলে অ্যাখ্যা দিয়েছেন দেশটির প্রভাবশালী রাজনীতিক ও কংগ্রেস দলীয় এমপি শশী থারুর।
সম্প্রতি এক সমীক্ষায় এমনই তথ্য উঠে এসেছে। ১৭ হাজার মানুষের কাছ থেকে দীপাবলি এবং তার পরবর্তী সময়ে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে এই সমীক্ষায়। খবর আনন্দবাজার পত্রিকা ও এনডিটিভির।
চারপাশ ঘন ধোঁয়ার চাদরে ঢাকা পড়ায় রোববার সকালে রানওয়ে দেখতে না পাওয়ায় ৩২টি উড়োজাহাজ দিল্লি বিমানবন্দরে নামতে না পেরে দিক পরিবর্তন করে চলে গেছে।
ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাতিল হয়েছে একাধিক ফ্লাইটও। ধোঁয়াশার কারণে এক হাত দূরের জিনিসও দেখা যাচ্ছে না। ফলে সড়কে যান চলাচলও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
এনডিটিভি জানায়, রোববার দিল্লির বাতাসে গুণমান সূচক বা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) ছিল ৬২৫। এ সূচক অনুযায়ী ০-৫০ ভালো, ৫১-১০০ সন্তোষজনক, ১০১-২০০ সাধারণ মানের, ২০১-৩০০ খারাপ, ৩০১-৪০০ খুব খারাপ এবং ৪০১-৫০০ মারাত্মক খারাপ বলে ধরা হয়।
গতকাল দিল্লির বাতাসের গুণমান সূচক বা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) ছিল ৬২৫। সব দিক খতিয়ে দেখে তাই ফের আজ থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত রাজধানীতে জোড়-বিজোড় নীতি চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সরকার।
এএস





