ভারতের হরিয়ানা ও মহারাষ্ট্র রাজ্যে ১৫ বছর পর সরকার গঠন করতে যাচ্ছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। এক্সিট পোল বা বুথ ফেরত ভোটারদের মতামত থেকে এ কথা জানা গেছে।
এ দুটি রাজ্যে বুধবার বিধানসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। আগামী রোববার ভোটগণনা হওয়ার কথা রয়েছে।
মহারাষ্ট্র রাজ্যে গত ১৫ বছর ধরে শাসন করে আসা কংগ্রেস ও এনসিপি বিপুল ভোটে পরাজিত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নির্বাচনের আগে এ দুটি দলে বিভক্তি দেখা দেয়। শিবসেনা দ্বিতীয় বৃহত্তম দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মহারাষ্ট্র রাজ্যের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেন এবং ২৭টি সমাবেশে ভাষণ দেন।
একজন রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলছেন, বুথ ফেরত ভোটারদের মতামত সঠিক হলে বলতে হয় মোদি প্রভাব আবারো কাজ করেছে।
তিনি বলেন, এর মানে জনগণ বিজেপিকে একটা সুযোগ দিতে চাচ্ছে এবং তারা উন্নয়ন কর্মসূচিকেই অগ্রাধিকার দিয়েছে।
উল্লেখ্য, সি-ভোটার এক্সিটপোল অনুযায়ী ১৩৮টি আসনে জিতে বিজেপি একক বৃহত্তম দল হিসেবে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। এছাড়া শিব সেনা ৫৯, কংগ্রেস ৪১, এনসিপি ৩০, এমএনএস ১২ ও অন্যান্য আট আসনে জয়ী হতে পারে।
এবিপি নিউজ চ্যানেলের জন্য এসি নেলসন পরিচালিত এক্সিট পোল অনুযায়ী মহারাষ্ট্র রাজ্যে বিজেপি পেতে পারে ১৪৪ আসন, শিবসেনা ৭৭, কংগ্রেস ৩০, এনসিপি ২৯ এবং এমএনএস ৩।
মহারাষ্ট্রের জন্য টি চানক্য এক্সিটপোলে বলা হয়েছে, বিজেপি ১৫১ আসন, শিবসেনা ৭১, কংগ্রেস ২৭, এনসিপি ২৮ এবং এমএনএস ১১টি আসনে জিততে পারে।
হরিয়ানায় গত বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস পেয়েছিল ৪০ আসন এবং বিজেপি মাত্র চার। এবারে বিজেপি সেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেতে যাচ্ছে। বলা হচ্ছে হরিয়ানা রাজ্যে ৯০ আসনের মধ্যে বিজেপি পেতে পারে ৫২ এবং কংগ্রেস ১০।
নির্বাচন কমিশন বলছে, হরিয়ানায় বিধানসভা নির্বাচনে রেকর্ড পরিমাণ ভোটার ভোট দিয়েছে। এ হার ৭৬ শতাংশ। চলতি বছর লোকসভা নির্বাচনে ৭১. ৮৬ শতাংশ ভোটার ভোট দিয়েছিল।
অন্যদিকে মহারাষ্ট্রে ৬৪ শতাংশ ভোটার উপস্থিতি ছিল এবং মুম্বাইয়ে ৫৩ শতাংশ লোক ভোট দিয়েছে যা কয়েক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ।
এসএমএ





