ভাইকে আক্রান্ত হতে দেখে ছুটে গিয়েছিলেন। অভিযোগ, তার জেরেই গণধর্ষণ করা হয় পশিচমবঙ্গের বীরভূমের নলহাটির কাকগ্রামের তরুণীকে।

যার বর্তমান ঠিকানা এখন রামপুরহাট মহকুমা হাসপাতাল। কিন্তু ঠিক কী ঘটেছিল শনিবার বিকেলে? খবর এপিবি আনন্দ

নির্যাতিতা জানিয়েছেন, ভাইকে ওরা মারছিল, প্রতিবাদ করলে আমাকে পুকুরের জলে ফেলে দেয়, পরে পারে তুলে গণধর্ষণ করে।

পরিবারের দাবি, ঘটনাস্থল থেকে বাড়িতে গিয়ে নির্যাতিতার ভাই ঘটনার কথা জানায়। নলহাটি থানায় অন্তত ১০-১৫ বার ফোন করেন নির্যার্তিতার বাবা ও স্থানীয় ক্লাবের সদস্যরা। অভিযোগ,  যাচ্ছি যাব করেও পুলিশ আসেনি।

নির্যাতিতার বাবা জানিয়েছেন, রাত সাড়ে নটার সময় থানা থেকে বলা হয়, গাড়ি নেই, আসতে পারব না, তোমরা থানায় এস।  অগত্যা, অচৈতন্য মেয়েকে একটি গাড়িতে করে তুলে নিয়ে থানায় যান নির্যাতিতার মা-বাবা। কিন্তু অভিযোগ, পদক্ষেপ নেওয়ার বদলে থানায় জোটে পুলিশের হুমকি।

নির্যাতিতার বাবা জানিয়েছেন, থানায় মেয়েকে বলা হয়, মিথ্যে কেন বলছ?  এতজন রেপ করলে তুমি বেঁচে থাকতে?  আমাকে বলে তুমিও মিথ্যে বলছ,  মেয়ের বিয়ে হবে না।

থানা থেকে প্রথমে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্র, পরে নির্যাতিতাকে রামপুরহাট মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রবিবার সকালে থানায় গেলে নির্যাতিতার পরিবারকে ফের হেনস্থা করা হয় বলে অভিযোগ। পরিবারের দাবি, পুলিশ নিজেই অভিযোগপত্র লিখে দেয়। যদিও সেখানে গণধর্ষণের কোনও উল্লেখই নেই!

সোমবার রাতে হাসপাতালে নির্যাতিতার মাকে দিয়ে পুলিশ জোর করে সাদা কাগজে সই করিয়ে নেয় বলেও অভিযোগ।

গণধর্ষণকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে সোমবার ৬ নাবালককে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃতদের পাশাপাশি অভিযুক্ত পুলিশকর্মীদেরও কঠোর শাস্তি দাবি করেছে নির্যাতিতার পরিবার। যদিও মুখে কুলুপ এঁটেছেন পুলিশের বড় কর্তারা।

ইআর