ইহুদিবাদী ইসরাইল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেন দরিদ্র এবং অনুন্নত ইয়েমেনিদের ওপর বোমা বর্ষণ করতে সৌদি আরবের কাছে জঙ্গি বিমান পাঠাচ্ছে বলে ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র শরিফ লুকমান অভিযোগ করেছেন।
তিনি বলেছেন, ইসরাইলি, মার্কিন ও ব্রিটিশ জঙ্গি বিমানগুলো ইয়েমেনে সরাসরি বোমা ফেলছে; কারণ, সৌদি পাইলটরা আধুনিক জঙ্গি বিমান দিয়ে যুদ্ধ-অভিযান চালাতে সক্ষম নয়।
লুকমান বলেছেন, ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনী এবং আনসারুল্লাহ’র যোদ্ধারা এ পর্যন্ত তিনটি এফ-সিক্সটিন জঙ্গি বিমান, ১০টি অ্যাপাচি হেলিকপ্টার এবং কয়েক ডজন ড্রোন ভূপাতিত করতে সক্ষম হয়েছে।
তিনি আরও বলেছেন, ইয়েমেনে সৌদি আরবের হয়ে লড়াই করার জন্য ইউরোপ ও ল্যাটিন আমেরিকার ৪০০ সামরিক কর্মীকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
আর সৌদি আরবের পক্ষে যুদ্ধ করতে আসা ল্যাটিন আমেরিকার ভাড়াটে সেনাদের মধ্যে মূলত কলম্বিয়ার সেনা-সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি।
গত মাসে ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলে হুথি যোদ্ধাদের সঙ্গে লড়াইয়ে কলম্বিয়ার ৬ সেনা এবং একজন অস্ট্রেলিয়ান কমান্ডার নিহত হয়।
আরব-আমিরাতের সঙ্গে চুক্তির আওতায় ইয়েমেনের যুদ্ধে কলম্বিয়ার ভাড়াটে সেনা পাঠানো হয়েছে বল ইয়েমেনি সূত্রগুলো এর আগে জানিয়েছিল। চিলি, পানামা ও সালভাদরের একদল সেনাও এই বাহিনীতে রয়েছে।
এ ছাড়াও অতীতে ব্ল্যাক-ওয়াটার নামে পরিচিত মার্কিন নিরাপত্তা কোম্পানিও সৌদি আরবের জন্য ভাড়াটে সেনার যোগান দিচ্ছে।
মার্কিন সরকারও ইয়েমেনের ওপর সৌদি আগ্রাসনে গোয়েন্দা তথ্যসহ সব ধরনের সহযোগিতা দিয়ে আসছে। তাই অনেক বিশ্লেষক বলছেন, ইয়েমেনের যুদ্ধ আসলে একটি আন্তর্জাতিক যুদ্ধ।
এসএইচ





