নিজের নবজাতক ছেলেকে হত্যার দায়ে এক মার্কিন মাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে দেশটির একটি আদালত। নিষ্ঠুর ঐ মায়ের নাম আমান্দা কেথরিন হেইন। তিনি পেনসেলভেনিয়া রাজ্যের নাগরিক।
সিবিএস নিউজের খবরে বলা হয়, আমান্দা (২৭) গত বছরের ১৮ অগস্ট 'স্টারটার পাব' নামের একটি স্পোর্ট বারে গিয়েছিলেন। স্পোর্ট বারে মদ পানের পাশাপাশি বড় পর্দায় খেলা দেখার সুযোগ থাকে। যাহোক, এক পর্যায়ে প্রবসবেদনা অনুভব করেন আমান্দা। এরপর বারে নারীদের জন্য সংরক্ষিত বিশ্রামাগারে গিয়ে একটি পুত্র সন্তান প্রসব করেন। নবজাতক পুত্রটিকে তিনি ডাস্টবিনের একটি পলিথিনে পেচিয়ে টয়লেটের ট্যাংকিতে ফেলে রাখেন।
পরদিন একজন মেথর শিশুটিকে মৃত অবস্থায় পান। ঘটনাটি জানার পর পুলিশ ময়নাতদন্ত করে। ময়নাতদন্তে ধরা পরে যে, জন্মের সময় শিশুটি জীবিত ছিল।
বারে উপস্থিত ছিলেন এমন একজন ব্যক্তি পুলিশকে জানান, ব্যথার কথা বলে বার থেকে বেরিয়ে যান আমান্দা। বেশ কিছু সময় পর তিনি ফিরে আসেন। এসময় তার রক্তপাত হচ্ছিল। হাসপাতালে পৌছে দিতে চাইলে আমান্দা বলেন, তার স্বাস্থ্য ইন্সুরেন্স নেই।
এরপর তাকে (আমান্দা) বাসায় পৌছে দেন বারে উপস্থিত ঐ লোকটি। উল্লেখ্য, যদি কোনো পিতা-মাতা তার সন্তানকে লালন-পালন করতে না চান, তাহলে সন্তানকে পেনসেলভেনিয়া রাজ্যের যে কোন হাসপাতালে রেখে যেতে পারেন।
চলতি বছরের মার্চ মাসে আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করেন আমান্দা। এরপর ইচ্ছাকৃতভাবে মানুষ হত্যার দায়ে এপ্রিল মাসে নর্থএম্পটন কাউন্টি বিচারক পল রোসসিওলি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। রায়ে আসামীর জন্য শর্তসাপেক্ষে মুক্তি লাভের কোনো সুযোগ রাখা হয়নি।
যখন রায় ঘোষণা করা হয় তখন আমান্দার মাঝে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। তবে আমান্দার মা কান্নায় ভেঙে পড়েন। সূত্র: সিবিএস নিউজ।
[b]ঢাকা, ১২ এপ্রিল (টাইমনিউজবিডি.কম)// টিআই [/b]
আন্তর্জাতিক
বারে নবজাতককে হত্যার দায়ে মার্কিনী মায়ের যাবজ্জীবন
প্রবসবেদনা অনুভব করেন আমান্দা। এরপর বারে নারীদের জন্য সংরক্ষিত বিশ্রামাগারে গিয়ে একটি পুত্র সন্তান প্রসব করেন। নবজাতক পুত্রটিকে তিনি ডাস্টবিনের একটি পলিথিনে পেচিয়ে টয়লেটের ট্যাংকিতে ফেলে রাখেন।





