[b]কায়রো:[/b] মিশরের সরকারী কর্মকর্তারা বলেছেন, নতুন সংবিধানের পক্ষে 'প্রত্যাশার চেয়েও বেশী' হ্যাঁ ভোট পড়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, ভোটের হার ৫৫ ভাগ অতিক্রম করতে পারে। প্রাথমিক হিসাবে দেখা গেছে হ্যাঁ ভোটের হার ৯৫ ভাগেরও বেশী।
অতীতেও সেনা প্রহরায় মধ্যপ্রাচ্যের স্বৈরশাসকদের গণভোটে ৯০ ভাগের বেশী ভোটের রেকর্ড রয়েছে। যদিও আরব বসন্তের পর অবাধ নির্বাচনে খুবই কম ভোট পেয়েছে তারা।
মিশরের ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর হিউম্যান রাইটস বলেছে, নির্বাচনের অনিময় সংক্রান্ত ২০০'র বেশী অভিযোগ এসেছে তাদের কাছে। বেশীর ভাগ অভিযোগ হল পর্যবেক্ষকদের ভোট কেন্দ্রে ঢুকতে বাধা দেয়া।
মুসলিম ব্রাদারহুড দাবি করেছে ৯১.৭ ভাগ ভোটাররা গণভোট বজর্ন করেছে।
দুই দিন ধরে চলা মিশরের গণভোট বজর্ন করেছে মুসলিম ব্রাদারহুড, স্ট্রং ইজিপ্ট পার্টিসহ অভ্যুত্থান বিরোধী বড় দলগুলো। বিরোধীদের বয়কটের মধ্য দিয়ে কড়া নিরাপত্তায় গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভোট বিরোধী বিক্ষোভে সহিসংতায় নিহত হয়েছে ১১ মিশরীয়। গ্রেফতার করা হয়েছে ৪০০'র বেশী নাগরিককে।
সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত গণভোটে নতুন সংবিধান পাশ হলে সেনাপ্রধান সিসির প্রেসিডেন্ট হওয়ার বাসনা পূরণে এক ধাপ অগ্রগতি হবে বলে জানিয়েছে বিশেষজ্ঞরা।
২০১৩ সালের জুলাই মাসে পাশ্চাত্যের সমর্থন নিয়ে সেনাবাহিনী অভ্যুত্থান করে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মুরসিকে ক্ষমতাচ্যুত করে। মুরসির শাসনামলে প্রণিত সংবিধান বাতিল করে নয়া সংবিধান প্রণয়ন করে এবং সেই সংবিধানের ব্যাপারে এ গণভোট অনুষ্ঠিত হল। এ সংবিধান কার্যকর হলে মিশর হোসনি মুবারকের মতো স্বৈরাচারী ও সেক্যুলার শাসনব্যবস্থায় ফিরে যাবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। সূত্র: রয়টার্স