[b]বার্লিন: [/b]মরেও নিস্তার নেই হিটলারের। তাকে নিয়ে মানুষের সীমাহীন কৌতুহল। হিটলার সব সময় অবাক করা  সব কাহিনীর কেন্দ্রবিন্দু। চমক লাগানো খবর হলো,যে  হিটলারকে সারা পৃথিবীর সামনে খুনি-যুদ্ধবাজ হিসাবে উপস্থাপন করছে ইহুদিরা, সেই হিটলার ১৯৩৯ সালে নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন।
চলুন হিটলার সম্পর্কে আরো মজার কিছু তথ্য জেনে নিই।
যত গরমই লাগুক না কেন তিনি জনসম্মুখে কখনও তার ব্যবহৃত কোটটি খুলতেন না।
১৯২৩ সালে নাজি প্রেস সেক্রেটারি ড. সেজুইক হিটলারকে ছোট গোঁফ স্বাভাবিকভাবে বড় করার জন্য উৎসাহ দিয়েছিলেন। গোঁফ বড় করার বিষয়ে হিটলারকে বোঝানোর চেষ্টা করেছিলেন তিনি। প্রতিউত্তরে হিটলার বলেছিলেন,‘আমার গোঁফ নিয়ে উদ্বিগ্ন হইও না, যদিও এই ছোট গোঁফ এখন ফ্যাশন না,তবে পরবর্তীতে এটাই ফ্যাশন হয়ে যাবে’।
[img]http://www.timenewsbd.com/contents/public/201401/1390069319.jpg[/img]
তার আলোচনায় ঘুরেফিরে যে বিষয়টি তিনি উল্লেখ করতেন তা হলো,‘যখন আমি সৈনিক ছিলাম,যখন আমি ভিয়েনায় ছিলাম,যখন আমি জেলে ছিলাম,যখন শুরুর দিকে দলের নেতা ছিলাম ...।’
হিটলারের হাতের লেখা ছিল একেবারে নিখুঁত। ১৯৩৭ সালে বিখ্যাত মনস্তাত্ত্বিক কার্ল জাং হিটলারের একটি লেখা দেখে  মন্তব্য করেন- এই হাতের লেখা দেখে আমাকে স্বীকার করতেই হয় যে এটা মেয়েলী প্রকৃতির।
‘অ্যামেরিকান কলেজ’ ফুটবলে যে ধরনের মিউজিক ব্যবহার করা হয়,সাধারণ আম-জনতার মাঝে উত্তেজনা ছড়িয়ে দিতে হিটলার তার বক্তৃতার সময় সে ধরনের মিউজিক ব্যবহার করতেন। অ্যামেরিকান ফুটবলের চিয়ারলিডাররা দর্শকদের উদ্বুদ্ধ করার জন্য যে কৌশল অনুসরণ করতো, সেই একই কৌশল অবলম্বন করে সভা-সমাবেশে ‘সিয়েগ হেইল!’ বলে শ্লোগান দিয়ে দর্শকদের উজ্জীবিত করতেন হিটলার।
[img]http://www.timenewsbd.com/contents/public/201401/1390069390.jpg[/img]
হিটলার সার্কাস দেখতে পছন্দ করতেন। সার্কাসের কসরতকারীদের ঝুঁকিপূর্ণ অভিনয় হিটলারকে বেশি আনন্দ দিতো। ১৯৩৩ সালে তিনি অনেকবার সার্কাস দেখেছেন বলে জানা যায়। সার্কাসের নারী কসরতকারীদের তিনি দামী চকোলেট ও ফুল দিতেন। এমনকি মাঝে মাঝেই হিটলার তাদের নাম স্মরণ করতেন,তাদের পরিবার,তাদের ঝুঁকিপূর্ণ পেশা নিয়ে উদ্বিগ্নও হতেন।
তিনি আদিমতা বা বন্যদের মতো অভিনয় (আচরণ), মেয়েদের বিপদে পড়াকে কখনও সমর্থন বা পছন্দ করতেন না।
উৎসাহ, প্রেরণা পাওয়ার জন্য হিটলার সব সময় তার ডেস্কে ‘হেনরি  ফোর্ড’র পট্রেইট রাখতেন।
ছোটবেলায় হিটলার ধর্মযাজক ও চিত্রশিল্পী হতে চেয়েছিলেন।
[img]http://www.timenewsbd.com/contents/public/201401/1390069431.jpg[/img]
হিটলার ছিলেন নিরামিষভোজী, অন্যদিকে হিটলার দিনে দুই পাউন্ড পর্যন্ত চকোলেট খেতে পারতো।
হিটলার যিনি জার্মানিতে জন্মগ্রহণ না করেও জার্মানির চ্যন্সেলর হয়েছিলেন অথচ তিনি জন্ম নিয়েছিলেন অস্ট্রিয়ায়।
হিটলারের শারীরিক ওজন মূলত পুরোপুরি যথার্থ নয় । মেডিকেলে শারীরিক চেকআপের সময় তিনি জামা কাপড় খুলতে  বরাবরই ছিলেন নারাজ।